অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় তরমুজ চাষীরা বিপাকে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭শে মার্চ ২০২৩ রাত ১১:৩১

remove_red_eye

৪৯৬


শফিক খাঁন  : ভোলায়  তরমুজ এখন  চাষী এবং  ব্যবসায়ীদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাগাতার ক’দিনের বৃষ্টিতে এবং ইলিশা ফেরি ঘাটে র্দীঘ লাইনে অপেক্ষায়  তরমুজ গাড়িতেই পচন ধরেছে।   ঢাকা মেট্রা ট ২০১৫২৬ তিন দিন অপেক্ষা করে  গাড়িতে তরমুজ  পচে নষ্ট হয়েছে। নষ্ট হওয়া তরমুজ ফেলা হচ্ছে নদীতে। দুশ্চিন্তায় এবং ভাড়ার টাকা পরিশোধ করতে না পারার আশংকায় পালিয়েগেছে তরমুজের ব্যবসায়ী। তবে এ গাড়িতে ২৮০০ পিচ তরমুজ নিয়ে হবিগঞ্জের মাধবপুর যাওয়ার কথা ছিলো বলে জানান চালক বাচ্ছু মিয়া। যথা  সময়ে ফেরি পার হতে পারলে তরমুজ নষ্ট হতোনা বলে দাবি করেছেন চালক বাচ্চু মিয়া।
 সেমবার (২৭ মার্চ) এমন দৃশ্য দেখা গেছে ভোলা প্রবেশ দ্বার ইলিশা ফেরি ঘাটে।
ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় বৃষ্টি পানিতে ভেজা তরমুচ নষ্ট হতে চলেছে। তাই ব্যবসায়ীদের মধ্যে তরমুজ নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই।
ঘাটে সীমাহীন অপেক্ষায় থাকার পরে নষ্ট হওয়া ২৮০০ পিচ  তরমুজ লটধরে বিক্রি হয়েছে মাত্র ৪০ হাজার টাকা। এতে তরমুজ মালিকের অন্তত ৩ লক্ষ টাকা লোকসান গুনতে হবে বলে ধারনা করেন ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মালিক বাবুল মিয়া। তিনি জানান আমি গাড়িটি ভাড়া দিয়েছি ৮০,০০০ টাকা, ব্যাবসায়ী ভাড়া দিতে আরো ৪০হাজার টাকা ভর্তুকি দিতে হবে বলে তরমুজ বিক্রি করে ভাড়া নেবার আদেশ দিয়ে  পালিয়ে গেছেন।
তবে বিআইডবিøউটিসি ম্যানেজার মোঃ পারবেজ খান বলেন, আমাদের এখানে অপেক্ষায় থাকার কারনে তরমুজ নষ্ট হবার কোন সুযোগ নেই। কারন আমাদের এরুটে ৪টি ফেরি পারাপারের জন্য চলমান রয়েছে কাচামালের গাড়ি  দিনাদিন পার হয়ে যায় অপেক্ষা করতে হয়না। তাছাড়া একদিনে তরমুজ নষ্ট হবার কথা নয় তারা বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হওয়া তরমুজ লোডকরেছে হয়তো । তাদের ছাড়াও অনেক গাড়ি আছে তাদের তরমুজ পচে নাই কেন?  বৃষ্টি পানিতে ভেজা তরমুজ গাড়িতে চাপের কারনে দুএকটা নষ্ট হতে পারে। তবে এ গাড়ির সব তরমুজ নষ্ট হয়েছে ভেজার কারনে ।