বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ই আগস্ট ২০২৩ রাত ১০:৩০
৩৪৩
বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলা সদর উপজেলার ৩নং পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের সদুরচর গ্রামে ৫০০ একর ফসিল জমি প্রায় ২০ বছর ধরে পানির নিচে তলিয়ে থাকার পর কৃষকদের দুর্ভোগ লাগব করতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনে স্থায়ী সমাধান পেলেন কৃষকরা। স্থায়ী এ নিষ্কাশনের মাধ্যমে দীর্ঘ ২০ বছর পর জলাবদ্ধতার কবল থেকে রক্ষা পেল কৃষকদের ৫০০ একর ফসিল জমি পানিবন্দি থেকে মুক্ত পেলো ১০ হাজার বাসিন্দা। মঙ্গলবার বিকেলে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদের নির্দেশে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইউনুস মিয়া সরেজমিন পরিদর্শন শেষে পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থায়ীভাবে ড্রেন নির্মাণ করার জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন। আগামীকাল থেকে ওই ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করবেন। সদুরচর গ্রামের কৃষক মো. মুনাফ আলী জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে সদুরচর গ্রামের হাওলা বিলের প্রায় ৫০০ একর ফসিল জমি জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে ছিল। পানি নামার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বছর দশেক আগে স্থানীয় কৃষকরা নিজ উদ্যোগে ছোট্ট একটি খাল খনন করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু মাস দুয়েক পর সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। আব্দুল হান্নান নামে আরেক কৃষক জানান, হাওলা বিলে প্রায় ৫০০ একর ফসলি জমি আছে। এসব জমিতে বছরে তিনটি ফসল ফলতো। এ আবাদেই এলাকার কৃষকের আর্থিক সমৃদ্ধি আসতো। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে এসব জমি জলাবদ্ধতায় ডুবে আছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থানীয় কৃষকরা একাধিকবার জেলা প্রশাসক ও জেলা কৃষি অধিদপ্তরে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। কিন্তু কোথা থেকেও আশাব্যঞ্জক কোনো সাড়া তারা পাননি। ষাটোর্ধ বিবি মনেজা খাতুন বলেন, হাওলা বিলের পানির কারণে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তারা দুর্ভোগে ছিলেন। বর্ষার সময় এ দুর্ভোগ আরও বাড়ত। পঁচা পানির গন্ধে তারা অতিষ্ঠ। শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতো। দীর্ঘ ২০ বছর পর অবশেষে তারা একটি স্থায়ী সমাধান পেলেন। ৩নং পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম জহির জানান, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে হাওলা বিলের প্রায় ৫০০ একর ফসিল জমি পানির নিচে তলিয়ে ছিল। যার কারনে প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি ছিল। ইউপি নির্বাচনের সময় ওই গ্রামের একটি উঠান বৈঠকে তিনি কৃষকদের কথা দিয়েছিলেন, ভোটে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে কৃষকদের এ দুর্দশা দূর করবেন। সেই কথা রাখতেই তিনি এ বিষয়টি এমপি তোফায়েল আহমেদকে জানান এবং এর স্থায়ী সমাধান করে দেন। ভোলা সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইউনুস মিয়া সাংবাদিকদের জানান, হাওলা বিলে কৃষকদের ৫০০ একর ফসিল জমি পানির নিচে তলিয়ে আছে ২০ বছর ধরে। এ সংবাদটি স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তোফায়েল আহমেদ জানতে পারে। এরপর এমপি এ জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ড্রেনের ব্যবস্থা করে দেন। এ ছাড়াও যে ব্যক্তির জমির ওপর দিয়ে ড্রেন নির্মাণ করা হবে তাকে ৩ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। খুব দ্রæত সময়ের মধ্যেই ড্রেন নির্মাণ করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। যার ফলে কৃষকরা এখন থেকে জমিতে চাষাবাদ করতে পারবেন।
মনপুরায় জনজীবন বিপর্যস্ত, পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ; রয়েছে তীব্র খাদ্যসংকট
সংসদে নতুন দায়িত্ব পেলেন হাফিজ ইব্রাহিম
চট্টগ্রামে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০ পদক্ষেপ
চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত
দেশের ১৪ অঞ্চলে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী
দুই দফা কমার পর ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
বৃষ্টির অজুহাতে সবজির বাজার চড়া, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি
হাজার কোটি টাকা গিলে খাচ্ছে জলাবদ্ধতা!
আগামী পাঁচ বছরে ৯ লাখ বেকারের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা কর্মসংস্থান ব্যাংকের
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক