অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১০ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিনে ভোলায় আওয়ামী লীগের উদ্দ্যোগে দোয়া মোনাজাত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ই অক্টোবর ২০২৩ রাত ১০:২৭

remove_red_eye

৫৬০

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের  ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামীলীগের আয়োজনে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার সন্ধ্যায় ভোলা বাংলার স্কুল মোড় দলীয় কার্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু,সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট আশরাফ হোসেন লুভু,সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ স¤পাদক মো: ইউনুস,দপ্তর সম্পাদক সামসুদ্দিন আহমেদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী অধ্যক্ষ সাফিয়া খাতুন,  বাস মালিক সমিতির সাধারণ স¤পাদক আবুল কালাম, জেলা আওয়ামী লীগের উপ প্রচার স¤পাদক গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে প্রমুখ। দোয়া মোনাজাতের আগে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,
ইতিহাসের নিকৃষ্টতম রাজনৈতিক হত্যাকান্ডেরে শিকার বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার কনিষ্ঠপুত্র শিশু শেখ রাসেল। মাত্র ১০ বছর ১০ মাস বয়স। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলো। মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর স্কুল ড্রেস পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যা¤পাসে থাকার কথা ছিল তার। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যাবেন সমাবর্তনে যোগ দিতে। তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেবে ল্যাবরেটরি স্কুলের শিশুরা। সারাদেশ অপেক্ষায় ছিল সেই মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হবার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ভোর রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ঘাতকরা সপরিবারে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুকে। শেখ রাসেল অশ্রæসিক্ত কণ্ঠে মিনতি করে বলেছিলেন, মায়ের কাছে যাব। বর্বর ঘাতকরা গুলি করে হত্যা করে শিশু রাসেলকে। অথচ তার তখন রাজনীতি ও পৃথিবী স¤পর্কে বুঝে ওঠার মতো বয়স হয়নি। তিনি আরো বলেন, দেশের শতকোটি শিশু কিশোরের মাঝে শেখ রাসেল প্রেরণার উৎস হয়ে বেচেঁ থাকবেন সারাজীবন।