অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে হয়রানিসহ টাকা আদায়ের অভিযোগ


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ রাত ০৮:০৮

remove_red_eye

৩০৩

লালমোহন প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহন উপজেলার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে কোনো প্রসূতি মা সন্তান প্রসব করলেই দিতে হয় টাকা। যার পরিমাণ দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা। অথচ সরকারিভাবে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটিতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সেবা প্রদানের কথা রয়েছে। তবে সরকারি সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে নিজস্ব সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ইনচার্জ এবং পরিবার কল্যাণ পরিদর্শীকা মিরা রাণী। তার সঙ্গে জড়িত রয়েছে ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির কয়েকজন দাই নার্স ও স্টাফ। এই সিন্ডিকেটের দাবি অনুযায়ী টাকা দেওয়া না হলে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে করা হয় অশোভন আচরণ। এতে করে প্রতিনিয়ত হয়রানীর শিকার হচ্ছেন সেবাপ্রত্যাশী মানুষজন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে উপজেলার তজুমদ্দিনের খাসের হাট এলাকা থেকে শারমিন নামে এক প্রসূতিকে আনেন স্বজনরা। এখানে আনার পর ওই প্রসূতি স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসব করেন। সন্তান প্রসবের পরই প্রসূতি শারমিনের স্বামী শাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে মিরা রাণী পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেন। অনেক কথা বলাবলির পরে বাধ্য হয়ে মিরা রাণীকে তিন হাজার টাকা দেন শাহাবুদ্দিন।
এই মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে স্ত্রীর সন্তান প্রসব করানোয় উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের দিনমজুর মো. শরীফকে দিতে হয়েছে আড়াই হাজার টাকা। দিনমজুর শরীফ বলেন, আমার  স্ত্রী রিক্তা বেগমের প্রসব বেদনা উঠলে তাকে লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নিই। সেখানে স্বাভাবিকভাবেই আমার স্ত্রী সন্তান প্রসব করেন। প্রসবের পরপরই মিরা রাণী নামের একজন মিষ্টি খাওয়ার জন্য চার হাজার টাকা দাবি করেন। এতো টাকা কেনো দেবো তা জানতে চাইলে আমাদের সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করেন মিরা রাণী। পরে বাধ্য হয়ে তাকে আড়াই হাজার টাকা দেই।
এছাড়াও এই মিরা রাণী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রসূতির স্বজনদের বাধ্য করে টাকা আদায়ের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ভেতরেই তার নিজস্ব সরকারি বাসভবন হওয়ায় রাত-বিরাতে কোনো প্রসূতি আসলেই তাদের জিম্মি করে টাকা আদায় করেন মিরা রাণী ও তার অনুসারীরা। যেখানে সন্তান প্রসব করলেই প্রসূতির স্বজনদের গুনতে হয় দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা।
টাকা নেওয়ার বিষয়ে লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ইনচার্জ এবং পরিবার কল্যাণ পরিদর্শীকা মিরা রাণী বলেন, বাচ্চা প্রসব হলে রোগীর স্বজনরা খুশি হয়ে আমাদের কিছু টাকা দেন। তবে টাকা দেওয়ার জন্য কখনো কাউকে বাধ্য করা হয় না। এছাড়া এ নিয়ে কখনো কারও সঙ্গে অশোভন আচরণও করা হয় না।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এবং মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অমিত কর্মকার জানান, সত্যিই যদি তারা কোনো টাকা নেন, তাহলে তাদের টাকা না নিতে বলে দেবো।





তজুমদ্দিনে ভূমি সেবা মেলা ও জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

তজুমদ্দিনে ভূমি সেবা মেলা ও জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

মনপুরায় ২ হাজার প্রান্তিক জেলের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন

মনপুরায় ২ হাজার প্রান্তিক জেলের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন

সাংবাদিকদের কলম কেউ ব্ল্যাকমেইলের জন্য ব্যবহার করতে পারবে না: তথ্যমন্ত্রী

সাংবাদিকদের কলম কেউ ব্ল্যাকমেইলের জন্য ব্যবহার করতে পারবে না: তথ্যমন্ত্রী

চরফ্যাশরে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা ২০২৬’ উদ্বোধন

চরফ্যাশরে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা ২০২৬’ উদ্বোধন

জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী

জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী

সমাজের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: স্পিকার

সমাজের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: স্পিকার

আগামী জুলাই-আগস্টের মধ্যে গণমাধ্যম নীতিমালা ও কমিশন গঠন করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

আগামী জুলাই-আগস্টের মধ্যে গণমাধ্যম নীতিমালা ও কমিশন গঠন করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে কাজ করছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে কাজ করছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু

ভোলায় মেধার ভিত্তিতে ১২০টাকায় পুলিশে চাকরি পেলেন ৩৩ জন

ভোলায় মেধার ভিত্তিতে ১২০টাকায় পুলিশে চাকরি পেলেন ৩৩ জন

আরও...