অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১০ই জুলাই ২০২৬ | ২৫শে আষাঢ় ১৪৩৩


লালমোহনে ফসল রক্ষায় কৃষকের অতন্দ্রপ্রহরী কাকতাড়ুয়া


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৭শে মার্চ ২০২৪ বিকাল ০৫:২৩

remove_red_eye

৩৫৫

লালমোহন প্রতিবেদন : কৃষকের মধ্যে প্রবাদ রয়েছে, কাকতাড়–য়া নড়েচড়ে পশুপাখি পালায় ডরে। এজন্য কৃষকের বন্ধুও বলা হয় কাকতাড়–য়াকে। ভোলার লালমোহন উপজেলায় কৃষকের ফসল রক্ষায় অতন্দ্রপ্রহরীর মতো ঠাঁয় দাঁড়িয়ে রয়েছে কাকতাড়–য়া। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এটি সনাতন পদ্ধতি। এই কাকতুড়া মূলত ক্ষেতের ফসল পাখি, ইঁদুর ও মানুষের কু-নজর থেকে রক্ষা করতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া পাখি ও ইঁদুর এই কাকতাড়–য়াকে মানুষ ভেবে ভয়ে ক্ষেতের কাছে যায় না। সেই ভাবনা থেকেই নিজের ক্ষেতের ফসল রক্ষায় এমন কৌশল ব্যবহার করেছেন লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চর ছকিনা এলাকার চাষি মো. বাবুল। তিনি তার গম ক্ষেতে দাঁড় করিয়েছেন কাকতাড়–য়া। কেবল কৃষক বাবুলই নয়, উপজেলার অনেক কৃষক তাদের নানা ধরনের ফসলের ক্ষেতে ব্যবহার করছেন কাকতাড়–য়া।
কৃষক বাবুল বলেন, এ বছর ৩২ শতাংশ জমিতে গম চাষ করেছি। এ ক্ষেতে সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করে ইঁদুর ও পাখি। এসবের থেকে ফসল রক্ষা করতেই ক্ষেতে মূলত এই কাকতাড়–য়া দাঁড় করিয়েছি। এতে করে ইঁদুর ও পাখির আক্রমণ থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা মেলে।
তিনি আরো বলেন, ৩২ শতাংশ জমিতে গম চাষ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৫ হাজার টাকার মতো। ক্ষেতে ফলন অনেক ভালো রয়েছে। আশা করছি এই জমিতে অন্তত ১৬ মণ গম হবে। যা বাজারে প্রতি মণ ১৮শত থেকে দুই হাজার টাকা ধরে বিক্রি করতে পারবো। আবহাওয়া ঠিক থাকলে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষেতের সব ফসল ঘরে তুলতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
জানা গেছে, আদিকাল কাল থেকে গ্রামাঞ্জলের কৃষকরা পাখি ও ইঁদুর এমনকি মানুষের কু-নজর থেকে রক্ষার কৌশল হিসেবে অদ্ভুত ও অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করে ক্ষেতের ফসল রক্ষার্থে মানুষের আকৃতি সদৃশ্য কাকতাড়–য়া ব্যবহার করছেন। যা দন্ডায়মান একটি খুঁটিতে দুই-তিন ফুট উপরে আড়াআড়ি আরেকটি খুঁটি বেঁধে তাতে খড় প্যাঁচিয়ে মোটাসোটা করেন। এরপর ওই অংশের ওপরে খড়কুটো দিয়ে মাথার মতো বস্তু বানানো হয়। যেখানে পুরনো ছেঁড়া জামা বা পাঞ্জাবি পরিয়ে দেওয়া হয়। যা দেখে ভয়ের সৃষ্টি হয়। এই কাকতাড়–য়াকে ফসলি জমির মাঝখানে দন্ডায়মান রাখেন কৃষকরা। দূর থেকে দেখলে মনে হয় ফসলি ক্ষেতের মধ্যে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। এই কাকতাড়–য়ার ফলে ক্ষেতে উপদ্রব কমে ইঁদুর ও পাখির।
চরছকিনা এলাকার জাহাঙ্গীর মাঝি, রতন মাঝি ও মো. জাফর নামে আরো কয়েকজন চাষি বলেন, কাকতাড়–য়া মূলত পাখি ও ইঁদুরকে ভয় দেখানোর জন্যে জমিতে দাঁড় করানো হয়। এতে করে পাখি এবং ইঁদুর বুঝতে পারে মানুষ দাঁড়িয়ে রয়েছে। যার ফলে পাখি ও ইঁদুরের আক্রমণ থেকে ফসল কিছুটা হলেও রক্ষা করা সম্ভব হয়। মূলত এই কাকতাড়–য়া ইঁদুর ও পাখিদের জন্য একটি ভয়ের ফাঁদ।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শংকর চন্দ্র দাস জানান, উপজেলার বিভিন্ন কৃষক তাদের ফসল রক্ষায় কাকতাড়–য়াকে ফাঁদ হিসেবে ব্যবস্থা করছেন। কৃষকদের ধারণা তাদের ক্ষেতে কাকতাড়–য়া দাঁড়ানো থাকলে ফসলের ক্ষতি হবে না। এমন বিশ্বাস থেকেই অনেক কৃষক তাদের ফসলি জমিতে কাকতাড়–য়া স্থাপন করেন। তবে এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।





শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের ভোলা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের ভোলা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

মনপুরায় ১০ গ্রামে অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা

মনপুরায় ১০ গ্রামে অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা

সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা

সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা

চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ

চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের

আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের

স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান

জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান

বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

আরও...