অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ১২ই জুলাই ২০২৬ | ২৮শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করায় তালাকনামা পেলো গৃহবধূ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১শে এপ্রিল ২০২৪ রাত ১০:৪৭

remove_red_eye

৩৪১

ভোলায় সংবাদ সম্মেলন করে স্বামীর বিচার ও শিশুর খোরপোষ দাবি করলেন অসহায় স্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদক : যৌতুক ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের মামলা করায় ভোলায় গৃহবধূকে তালাক দিয়েছে স্বামী মো. মিজানুর রহমান। গৃহবধূর কোলে রয়েছে ৯মাসের শিশু। এ অবস্থায় কোনো রকম খোরপোষ না দিয়ে তালাক দেওয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছে গৃহবধূ। রবিবার বেলা ১২টায় ভোলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে স্বামীর বিচার, শিশুর খোরপোষের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উম্মে হাফসা বেগম। গৃহবধূ কান্নায় ভেঙে পড়ে ভোলার প্রশাসন ও প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা দাবি করেন। লিখিত অভিযোগপত্র পাঠ করে গৃহবধূ হাফসা বলেন, তিনি উম্মে হাফছা বেগম এক কন্যা সন্তানের জননী। তাঁর বাবা ভোলার সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের উত্তর বাপ্তা গ্রামের পাইলট এলাকার মো. মহিউদ্দিন, পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক। স্বামী মো. মিজানুর রহমানের বাড়ি একই ইউনিয়নের সুন্দরখালী গ্রামে। মিজানুর রহমানের সঙ্গে ২০২২সালে ২৬সেপ্টেম্বর শরীয়াহ মোতাবেক ও পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে হয়। মিজানুর রহমান আগে একটি বিয়ে করলেও সে বিয়ের খবর গোপন রাখেন। বিয়ের পরে ২-৩মাস সূখ-শন্তিতে তাঁদের সংসার চললেও, বিপত্ত্বি বাঁধে যখন মিজানুর রহমান শ্বশুর মহিদ্দিনের নিকট ৭০হাজার টাকা ঋণ(ধার) নেন। শ্বশুর ওই ঋণের টাকা ফেরত চাইতে গেলে কলহ আরও কয়েক গুন বৃদ্ধি পায়। ওই টাকা না দিয়ে জামাই উল্টো ২লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। একই সঙ্গে টাকার জন্য গৃহবধূর ওপর নানা রকম শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার-নির্যাতন চালাতে থাকেন। গৃহবধূ বলেন, তাঁর বাবা তাঁর সুখের কথা চিন্তা করে, জামাই মিজানুরকে এক লাখ টাকা দেন। এ সময় হাফছা বেগম অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। দুই লাখ টাকা না দেওয়ায় হাফছাকে জামাই শ্বশুর বাড়িতে ফেলে যায়। কোনো রকম খোঁজ-খবর নেন না। এসব বিষয় নিয়ে গৃহবধূর পরিবার স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তির সামনে হাজির হন। গনমান্য ব্যক্তিরা মিমাংসা করতে ব্যর্থ হয়ে মামলা ও আদালতে যেতে বলেন। গৃহবধূ আরও বলেন, চেয়ারম্যানের নির্দেশে তিনি লিগ্যাল এইডে সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন জমা দেন। মিজানুর রহমান লিগ্যাল এইডের আদেশকেও অমান্য করে চলে আসেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২৫জানুয়ারী তাঁদের পরামর্শে আদালতে গৃহবধূ যৌতুক মামলা করেন। (মামলা নং- সি.আর ৫০/২০২৪,ভোলা)। মামলার পরবর্তী তারিখে, আদালতে মিজানুর হাজির হয়ে, ১০০টাকার স্টাম্পের ওপর স্বাক্ষর দিয়ে, গৃহবধূকে যোগ্য সম্মান দিয়ে ঘরে তুলে নেবে বলে নিয়ে আসেন। ২১মার্চ স্বামীর সঙ্গে শ্বশুর বাড়িতে রওনা দেই। পথিমধ্যে স্বামী মিজান গৃহবধূকে মোবাইলে টাকা লোড করতে যাওয়ার কথা বলে পথে ফেলে চলে যায়। হাফছা বেগম কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে, শ্বশুর বাড়িতে চলে যান। শ্বশুর বাড়িতে গেলে মামলার অজুহাত ও যৌতুকে টাকা না নিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে মিজানুর রহমান, তাঁর মা(শ্বাশুরী), ভাই(দেবর) এবং প্রথম বৌ(সতীন) মিলে হাফছাকে পিটিয়ে জখম করে। তার ডাক-চিৎকার শুনে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে এসে তার বাবা মহিউদ্দনেকে খবর দেন। পরে তারা তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনদিন(২১-২৩মার্চ) হাসপাতালে চিকিৎসার পরে কিছুটা সুস্থ্য হলে থানায় হাজির হয়ে সমস্ত ঘটনা জানাই। পুলিশের পরামর্শে হাফছা বেগম ২৩মার্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা চলমান অবস্থায় স্বামী মিজানুর রহমান ৯ এপ্রিল কোনো নোটিশ ছাড়াই তালাকনামা পাঠান। এ অবস্থায় তিনি চরম অসহায় অবস্থায় রয়েছেন-তিনি এর সুষ্ঠু ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও সন্তানের খোরপোষ দাবি করেন। ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর(পিপি) মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, মামলা চলমান অবস্থায় তালাকনামা পাঠালে তার কোনো গ্রহণযোগতা নেই।





চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের হামলা ভাংচুর

চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের হামলা ভাংচুর

মনপুরায় বানভাসি মানুষের  মাঝে তীব্র খাবারের সংকট

মনপুরায় বানভাসি মানুষের মাঝে তীব্র খাবারের সংকট

লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার ‌অভিযোগ

লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার ‌অভিযোগ

দৌলতখানে ভাঙা কালভার্ট সংস্কার করে দুর্ভোগ কমালেন বিএনপি নেতা মীর গিয়াসউদ্দিন

দৌলতখানে ভাঙা কালভার্ট সংস্কার করে দুর্ভোগ কমালেন বিএনপি নেতা মীর গিয়াসউদ্দিন

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা কেন দেননি, জানালেন স্পিকার

শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা কেন দেননি, জানালেন স্পিকার

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী আমিন

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী আমিন

ডা. জুবাইদাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল যাওয়ার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর

ডা. জুবাইদাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল যাওয়ার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর

আরও...