অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১০ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় ঘুর্ণিঝড় আমফানে প্রভাবে হালকা ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০শে মে ২০২০ রাত ১২:৩৪

remove_red_eye

৭১৮

বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক:: ঘুর্ণিঝড় আমফানে প্রভাবে  মঙ্গলবার সকালে কিছু সময় ভোলায় হালকা ও কোথাও গুড়ি গুড়ি এক পসলা বৃষ্টিপাত হয়েছে। তার পর থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় এক ধরনের গুমট অবস্থায় রয়েছে। মেঘনা নদী এখনো স্বাভাবিক অস্থায় রয়েছে। সর্তক সংকেত থাকার পরও কিছু জেলে তীওে আসলেও এখনো বহু জেলে নদীতে মাছ ধরছে।  বড় ধরনের প্রভাব না পরায় সাধারন মানুষ মেঘনার তীরবর্তী এলাকায় এখনো আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়া খবর পাওয়া যায়নি।এদিকে ভোলায় ঘূর্নিঝড় আমফান মোকাবেলায় সাবাইকে সতর্ক করতে ও নিরাপদে আসতে সিপিপির সেচ্চাসেবীরা সকাল থেকে উপকূলের নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করছে।


ভোলার বিচ্ছিন্ন দুর্গম ২১টি চরের ৩ লাখ বাসিন্দা রয়েছে। এর মধ্যে যারা ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় রয়েছে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে আনার কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। ইতি মধ্যে চরফ্যাসনের ঢাল চর থেকে মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নৌ বাহিনী, নৌ পুলিশ, জেলা পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ শুরু হয় বলে জানিয়েছেন, ভোলার জেলার প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক।


তিনি আরো জানান, সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয় নেয়া মানুষের সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত ৪০০টিসহ সর্বমোট ১১০৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। একই সাথে সামাজিক দূরুত্ব নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষদের জন্য ৩ বেলা খাবারের ব্যবস্থা ছাড়াও নগদ টাকা, শুকনো খাবার ও শিশু খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ৭৯ টি মেডিক্যাল টিম তৈরি করা হয়েছে।