বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০শে মে ২০২৫ সন্ধ্যা ০৭:৩৬
৫৩১
সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হন তিনি। তার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নয়- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়।
‘মেজর জিয়া বলছি’- বেতার তরঙ্গে ভর করে ইতিহাসের পাতায়
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে উচ্চারিত হয়, ‘আমি মেজর জিয়া বলছি...।’ এ ঘোষণায় দিকভ্রান্ত জাতিকে সাহস ও দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি ছিলেন ৪ বছর, প্রভাব রয়ে গেছে এখনো
জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন। তার ‘১৯ দফা কর্মসূচি’ ছিল আত্মনির্ভর বাংলাদেশের নীলনকশা। খাদ্য ঘাটতির নতুন এক দেশকে রপ্তানিমুখী কৃষিতে ধাবিত করেন তিনি।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়া বলেন, এই দিনে আমরা একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, সাহসী রাষ্ট্রনায়ককে হারিয়েছি। তার বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ১৯ দফা কর্মসূচি আজও প্রাসঙ্গিক। তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করতে শহীদ জিয়ার আদর্শই পথ দেখায়।
শ্রদ্ধা ও কর্মসূচি
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত নানান কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। আজ শুক্রবার সকালে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে তার সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সারাদেশে আলোচনা সভা, দোয়া এবং অসহায়দের মধ্যে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি চলছে।
এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার দলের আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘এই দিন আমাদের পরিবার নয়, গোটা জাতির জন্যই বেদনার।’
তিনি বলেন, ‘এই দিনে শুধু আমাদের পরিবার নয়, গোটা জাতিই হয়ে উঠেছিল অভিভাবকহীন। যিনি চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে পথ দেখিয়েছিলেন, সেই স্থানেই তিনি শহীদ হলেন। গণতন্ত্র, বিচার বিভাগ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও আত্মনির্ভরতা- এই সবকিছুর ভিত্তি গড়েছিলেন শহীদ জিয়া। তার রেখে যাওয়া আদর্শই আজ আমাদের গণতন্ত্র রক্ষার অনুপ্রেরণা।’
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘আজকের দিনে আধুনিক বিশ্বে এমন একজন সৎ ও নীতিবান নেতা বিরল। সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে রাষ্ট্রপতি হলেন, কিন্তু নিজের নামে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বাড়ি বা গাড়ি রাখেননি। তার মতো সততার উদাহরণ রাষ্ট্রনায়কদের জন্য এক মাইলফলক।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘শহীদ জিয়ার জীবন, দর্শন ও কর্মসূচি আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ। তার স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে এক মোহভঙ্গের মুহূর্তে অভয় দিয়েছিল। সিপাহী-জনতার মিলিত শক্তির প্রতিনিধি হয়ে তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্র। তার জনপ্রিয়তাই ছিল মৃত্যুর প্রধান কারণ। আশা করি, শহীদ জিয়ার দেখানো পথ ধরেই বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরবে।’
তজুমদ্দিনে ভূমি সেবা মেলা ও জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
মনপুরায় ২ হাজার প্রান্তিক জেলের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন
সাংবাদিকদের কলম কেউ ব্ল্যাকমেইলের জন্য ব্যবহার করতে পারবে না: তথ্যমন্ত্রী
চরফ্যাশরে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা ২০২৬’ উদ্বোধন
জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী
সমাজের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: স্পিকার
আগামী জুলাই-আগস্টের মধ্যে গণমাধ্যম নীতিমালা ও কমিশন গঠন করা হবে : তথ্যমন্ত্রী
ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে কাজ করছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু
ভোলায় মেধার ভিত্তিতে ১২০টাকায় পুলিশে চাকরি পেলেন ৩৩ জন
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক