অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৯শে আগস্ট ২০২৬ | ১৪ই ভাদ্র ১৪৩৩


ভোলায় নৌপথে দুধ পরিবহনে কুলিং ট্যাঙ্কার স্থাপন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১শে জুন ২০২৫ সন্ধ্যা ০৭:৩২

remove_red_eye

৩৩১

খুশি খামারিরা, কমেছে সময়, নিরাপদ থাকছে দুধ

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক: দ্বীপজেলা ভোলায় দুগ্ধ শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। দেশে প্রথমবারের মতো নৌযানে কুলিং ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে দুর্গম চরাঞ্চল থেকে দুধ সংগ্রহ শুরু হয়েছে, যা এ অঞ্চলের খামারিদের দীর্ঘদিনের লোকসান ও হতাশার বৃত্ত ভাঙার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। খামারিরা এখন খুশি, কারণ দুগ্ধ পরিবহন এখন সহজ ও নিরাপদ।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কৌশলগত সহযোগিতায় ‘রুরাল মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি)’র আওতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস) এই যুগান্তকারী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে।

ভোলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের খামারিদের জন্য উৎপাদিত দুধ বাজারজাতকরণ একটি বড় প্রতিবন্ধকতা ছিল। দীর্ঘ নদীপথ, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং সময়সাপেক্ষ পরিবহন ব্যবস্থার কারণে, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে, দুধ নষ্ট হয়ে যাওয়া ছিল নিয়মিত সমস্যা। মাঝের চরের দুধ বিক্রেতা মো. নিজাম বলেন, “আগে দুধ শহরে আনতে দিনের অর্ধেক সময় চলে যেত। গ্রীষ্মে অনেক দুধ পথেই ফেটে যেত বা ছড়া হতো, লোকসান ছাড়া উপায় ছিল না।” একই এলাকার খামারি মো. শরিফ যোগ করেন, “ন্যায্য দাম তো দূরের কথা, দুধ ঠিকঠাক বিক্রি করতে পারলেই বাঁচতাম। এখন কুলিং ট্যাঙ্কারের কারণে আমরা চিন্তামুক্ত। দুধ পরিবহন নিয়ে আর কোনো ভাবনা নেই।”

কুলিং ট্যাঙ্কার সম্বলিত নৌযান এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্টেইনলেস স্টিল ও শোলার দ্বারা বিশেষভাবে তৈরি এই ট্যাঙ্কার একসঙ্গে ৭০০ লিটার দুধ বহন করতে পারে এবং গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রেখে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়। জিজেইউএস-এর তত্ত্বাবধানে উদ্যোক্তা অলিউর রহমান কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের আওতায় বর্তমানে ৪-৫টি চর থেকে প্রায় শতাধিক খামারির কাছ থেকে নিয়মিত দুধ সংগ্রহ করছেন, যা এই উদ্যোগের ব্যাপকতা ও সুদূরপ্রসারী প্রভাবের ইঙ্গিত দেয়।

গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার উপ-পরিচালক ডা. খলিলুর রহমান জানান, “আমাদের লক্ষ্য শুধু দুধ সংগ্রহ নয়, বরং খামারিদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে তাদের জীবনমানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। এই নৌ-ট্যাঙ্কার চরাঞ্চলের ভঙ্গুর সরবরাহ শৃঙ্খলকে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক কাঠামো দেবে।”

জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রফিকুল ইসলাম খান এই উদ্যোগকে ভোলার ডেইরি শিল্পের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “এটি খামারিদের দুধ উৎপাদনে উৎসাহিত করার পাশাপাশি জেলায় নিরাপদ ও মানসম্মত দুধের সরবরাহ বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখবে। সরকারের প্রাণীসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যের সঙ্গে এই উদ্যোগ অত্যন্ত সঙ্গতিপূর্ণ।”

এই পরিবর্তনের প্রভাব ভোলার স্থানীয় বাজারেও পড়েছে। শহরের দুধ ব্যবসায়ী মোঃ অলিউর রহমান স্বস্তির সঙ্গে বলেন, “আগে চরের দুধের মান নিয়ে সংশয় ছিল। এখন খামার থেকে সরাসরি ঠান্ডা ও বিশুদ্ধ দুধ পাচ্ছি, যা আমাদের ব্যবসার ঝুঁকি কমিয়েছে এবং ভোক্তাদের আস্থা বাড়িয়েছে।”


ভোলা মোঃ ইয়ামিন



লালমোহন উপজেলা শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

লালমোহন উপজেলা শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার

এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত: স্পিকার

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে প্রথম দিনেই উত্তপ্ত সংসদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে প্রথম দিনেই উত্তপ্ত সংসদ

সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, ডিসেম্বরে প্রথম ধাপের ভোট : সিইসি

সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, ডিসেম্বরে প্রথম ধাপের ভোট : সিইসি

এটি প্রশ্ন হলো নাকি পল্টনের বক্তব্য, হাসনাতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এটি প্রশ্ন হলো নাকি পল্টনের বক্তব্য, হাসনাতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালে ত্রাণ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালে ত্রাণ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানিতে রাষ্ট্রপতির শোক

নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানিতে রাষ্ট্রপতির শোক

মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা পাঠাবে বাংলাদেশ

নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা পাঠাবে বাংলাদেশ

আরও...