অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৭শে আষাঢ় ১৪৩৩


বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬শে জুলাই ২০২৫ দুপুর ১২:২৯

remove_red_eye

২০২

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আরো দুই জন মারা গেছে। তাদের মধ্যে একজনের নাম জারিফ ফারহান (১৩)। তিনি ওই স্কুলে ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। আরেকজন হলেন অফিস সহায়ক (আইয়া) মাসুমা (৩২)। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার সকাল ৯টা ১০মিনিটের দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যায় শিশু জারিফ ফারহান। এছাড়া, ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে মারা যায় মাসুমা।

বিষয়টি বাসসকে নিশ্চিত করেছেন নিহত জারিফের বাবা হাবিবুর। তিনি বলেন, আমার বাসা উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর। আমার ছেলে ৭ম শ্রেণীতে পড়ত। সে মারা গেছে।

এর আগে, গতকাল শুক্রবার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) আফরোজ আয়মান ও মুসাব্বির মাকিন নামে আরো দুই শিক্ষার্থী মারা যায়।

গত বৃহস্পতিবার আরো দুই শিশু প্রাণ হারায়। তারা হলেন মাহিয়া তাসনিম (১৫) ও মাহতাব রহমান (১৫)।

জানা যায়, সোমবারের বিমান দুর্ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ৪৮ জন চিকিৎসাধীন আছেন। তার মধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৩৮ জন, ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ৮ জন, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ১ জন রয়েছেন।

অন্যদিকে, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১৭ জন, ঢাকা সিএমএইচে ১৫ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন, লুবানা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে ১ জন এবং ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেডে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে, গত সোমবার দুপুরে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। এ দুর্ঘটনায় হতাহতদের বেশিরভাগই শিশু।