অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৭শে আষাঢ় ১৪৩৩


আজ বিশ্ব বাঘ দিবস


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯শে জুলাই ২০২৫ বিকাল ০৫:৩৩

remove_red_eye

২৭৩

আজ বিশ্ব বাঘ দিবস। বিশ্বে বাঘের সংরক্ষণের জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রতি বছর ২৯ জুলাই তারিখে দিবসটি পালন করা হয়।

২০১০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত ব্যাঘ্র অভিবর্তনে এই দিবসের সূচনা হয়। 

দিবসটি পালনের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো - বাঘের প্রাকৃতিক আবাস রক্ষা করা এবং বাঘের সংরক্ষণের জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করে পশুটির সম্পর্কে জনমনে থাকা ভুল ধারণা ও ভয় দূর করা।

‘মানুষ-বাঘের সুরেলা সহাবস্থান’ - এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাঘের বংশবৃদ্ধির অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি। দেশে এই দিবসের শ্লোগান হলো- ‘বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি, সুন্দরবনের সমৃদ্ধি’। 

আজ বিশ্ব বাঘ দিবস-২০২৫ উপলক্ষ্যে রাজধানীর বন ভবনের হৈমন্তি মিলনায়তনে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। 

অনুষ্ঠানে প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। 

এছাড়া এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

বাঘ বাংলাদেশের জাতীয় পশু। বাংলাদেশ এ দিবসটি গুরুত্বের সঙ্গে পালন করে আসছে। বাংলাদেশে বাঘ ২০১৫ সালের গণনায় ১০৬টি, ২০১৮ সালে ১১৪টি ও সর্বশেষ ২০২৪ সালের গণনায় ১২৫টি পাওয়া গেছে। 

বাংলাদেশের বাঘ নানামুখী হুমকির সম্মুখীন। এরপরও বাঘের সংখ্যা যে ঊর্ধ্বমুখী, এটি আশার সঞ্চার করছে।

সুন্দরবন বর্তমানে বাংলাদেশের বাঘের শেষ আশ্রয়স্থল। জলবায়ু পরিবর্তনে আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া, চোরা শিকারিদের দৌরাত্ম্য, খাদ্যসংকট ও কার্যকর টেকসই পদক্ষেপের অভাবে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগারের অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। 

গত দুই দশকে সুন্দরবনে বাঘের টিকে থাকার লড়াইটা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে।