অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৯ই জুলাই ২০২৬ | ২৫শে আষাঢ় ১৪৩৩


ধার করা ডাক্তার দিয়ে চলছে তজুমদ্দিনের ৫০ শয্যার হাসপাতাল


তজুমদ্দিন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৬শে আগস্ট ২০২৫ রাত ১১:১০

remove_red_eye

৩৩০

এম এ হালিম তজুমদ্দিন থেকে : ভোলার তজুমদ্দিনে ৫০ শয্যা হাসপাতালে উপজেলার দেড় লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন ১জন মাত্র ডাক্তার। ১৫ জন ডাক্তারের পদ চালু থাকলেও ওই একজন ডাক্তারকে পার্শ্ববর্তী উপজেলা মনপুরা থেকে ধার করে (প্রেষনে) এনে কোনমতে চিকিৎসা সেবা চালিয়ে নিচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। জনবল সংকটের কারনে এখানে প্রায় সময় নার্স দিয়ে চলছে ডাক্তারের কাজ। এছাড়া মিটিং, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা। এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৩ জন ডাক্তার তজুমদ্দিনে পোস্টিং দিলেও দুই মাস অতিবাহিত হওয়া সত্বেও তারা যোগদান করেননি। ফলে চিকিৎসক ও জনবল সংকটে মারাত্মক ভাবে ব্যহত হচ্ছে এই উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছে দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা। বর্হিবিভাগ ও আন্তঃবিভাগের দায়িত্বরতদের প্রতিদিন ভীর সামলাতে হিমশিম খেতে হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ৫০ শয্যা ভবন ও সরঞ্জাম থাকলেও পদ শৃজন না হওয়ায় কার্যক্রম চলছে ৩১ শয্যা অনুযায়ী।

এখানে কনসালটেন্ট ও মেডিকেল অফিসারের ১৫ টি পদে কর্মরত রয়েছেন স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তাসহ মাত্র দুইজন। এছাড়া নার্স ও মিডওয়াইফ ৩১ টি পদ থাকলেও কর্মরত আছেন  ১১জন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ৬ টি পদে কর্মরত আছেন ২ জন, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর ৩টি পদের ৩টিই শূন্য, প্যাথলোজিষ্ট পদে দুটি পদই শূণ্য, ইউনিয়ন সেন্টার স্যাকমো ৫ টি পদের ৫ টিই শূন্য রয়েছে এবং তৃতীয় শ্রেণীর ৬৬ টি পদের বিপরীতে শূণ্য রয়েছে ৩১ টি।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির একদিকে যেমন জনবল সঙ্কট অন্যদিকে রয়েছে সরঞ্জামাদি ও টেকনেশিয়ানের সঙ্কট। লোকবলের অভাবে অপারেশন থিয়েটার, এক্স-রে, ইসিজি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনগুলো  পড়ে আছে অচলবস্থায়। উপজেলার দুর দুরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা ময়ফুল,খাদিজা, আঃ মতিন সহ কয়েকজন জানান, জেলা সদর হাসপাতাল দূরে হওয়া ও সামর্থ্য না থাকার কারণে বাধ্য হয়ে এখানে  চিকিৎসা সেবা নিতে আসতে হয়। আর সেই কারণে ঝুঁকি নিয়ে ভর্তি হতে হয় অনেক রোগীদেরকে।

এছাড়া হাসপাতালটিতে এক্সরে, আল্ট্রসনোগ্রাফ মেশিন অকেজো থাকায় ও টেকনিশিয়ানের অভাবে এখানে ভর্তিকৃত রোগীদের অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা বাহির থেকে করাতে হয়। এতে করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন সেবা নিতে আসা রোগীরা। হাসপাতালে কর্তব্যরত সিনিয়র নার্স মিশু দত্ত জানান, নার্স, ডাক্তার ও জনবল সংকটের কারণে ওয়ার্ডে রোগীদের কাঙ্খিত সেবা প্রদান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। তার পরও ভর্তিকৃত রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে চেষ্টা করছেন তারা। তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা:রাহাত হোসেন জানান, পদায়নকৃত ৩ জন চিকিৎসক যোগদান না করার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাপরিচালক বরাবর লিখিত আকারে অবহিত করা হয়েছে।

চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে হাসপাতালের বর্হিবিভাগ ও আন্তঃবিভাগের প্রতিদিন দু'থেকে তিনশো রোগীদের মানসম্মত সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সংকট নিরসনে কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন বলে জানান তিনি। 


তজুমদ্দিন ভোলা জেলা মোঃ ইয়ামিন



বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে ছিল না প্রধানমন্ত্রীর কোন ছবি

বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে ছিল না প্রধানমন্ত্রীর কোন ছবি

৯ জুলাই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে, বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা

৯ জুলাই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে, বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা

মনপুরায় টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

মনপুরায় টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ভোলায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ

ভোলায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ

উত্তাল সাগরে যেতে পারছেনা শতশত ট্রলার কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো জেলে

উত্তাল সাগরে যেতে পারছেনা শতশত ট্রলার কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো জেলে

মনপুরায় প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

মনপুরায় প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ভোলায় শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা ও পর্যালোচনা সভা

ভোলায় শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা ও পর্যালোচনা সভা

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার

ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার

২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী

২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী

আরও...