অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৯ই জুলাই ২০২৬ | ২৫শে আষাঢ় ১৪৩৩


আওয়ামী লীগ ৩ দফায় কাড়ি কাড়ি লাশ উপহার দিয়েছে: জামায়াত আমির


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ই ডিসেম্বর ২০২৫ বিকাল ০৪:৩৯

remove_red_eye

১৮৪

আওয়ামী লীগ তিন দফায় ক্ষমতায় এসে ছোপ ছোপ রক্ত আর কাড়ি কাড়ি লাশ উপহার দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ‘যুব ম্যারাথন’ উদ্বোধনপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে যে একনায়কতন্ত্র কায়েম হয়েছিল, যার পরিণতি মানুষ স্বচক্ষে দেখেছে। দেশের মানুষ ভেবেছিল আওয়ামী লীগ এটা থেকে শিক্ষা নেবে। কিন্তু তারা তিন দফায় বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসে ছোপ ছোপ রক্ত আর কাড়ি কাড়ি লাশ উপহার দিয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ’৭২ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে ’৭৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল। এরপর তারা ’৯৬ সালে মাথায় ঘোমটা দিয়ে হাতে তসবিহ নিয়ে তারা ক্ষমা চায়। ’৯৬ সালের ১০ জানুয়ারি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসে। এরপর তারা আবার ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারি ক্ষমতায় আসে। এই তিনবারের ক্ষমতায় বাংলাদেশের এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে আওয়ামী লীগের হাতে মানুষ মারা যায়নি। এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে তাদের হাতে মা-বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠিত হয়নি। একটা প্রতীকে ভোট দেওয়ার অপরাধে নোয়াখালীতে একজন মাকে আওয়ামী লীগ বিবস্ত্র করে নির্যাতন করেছিল।

৭১ পূর্ব ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ৭১ এ দেশের ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক-জনতা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল একবুক আশা আর চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে। বাংলার মানুষ ভেবেছিল প্রিয় দেশটি সব ধরনের বৈষম্যের হাত থেকে মুক্তি পাবে, সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে দেশে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী শাসকগোষ্ঠী জনগণের কথা রাখেনি।

জামায়াত আমির বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশে সেনাবাহিনীর, আধাসামরিক বাহিনী ও পুলিশ থাকাকালেও রক্ষীবাহিনী গঠন হয়েছিল। মা-বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠন করেছে। মন্ত্রীর ছেলেরা ব্যাংক ডাকাতিতে লিপ্ত হয়েছিল। ৭৪ এর দুর্ভিক্ষে শত শত মানুষের লাশ মাঠেঘাটে পড়েছিল। লাশ দাপনের ব্যবস্থা ছিল না। তারা সোনার বাংলা গড়ার কথা বলে শ্মশানে পরিণত করেছিল। তারপর তাদের কার্যক্রমের ফল হিসেবে তারা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে।

যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অতীতের সব বস্তাপচা রাজনীতিকে পায়ের নিচে ফেলে দিতে হবে। এখন বাংলাদেশের রাজনীতি করতে হবে স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের পক্ষে। যেই রাজনীতি হবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর পক্ষে, যেই রাজনীতি হবে দুর্নীতির বিপক্ষে, যেই রাজনীতি হবে চাঁদাবাজ, ধর্ষণকারী, মামলাবাজদের বিপক্ষে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা শুধু আমাদের দলের বিজয় চাই না। আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। এই বিজয়ের জন্য যারা বাধা দেবে, এই যুবকরা তাদের লাথি মেরে সরিয়ে দেবে।

নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা কোনো আনুকূল্য চাই না। কিন্তু কমিশন যদি কারও প্রতি সামান্য আনুকূল্যও দেখায়, আমরা তা বরদাস্ত করবো না। আমরা চাই আপনারা আপনাদের শপথের আলোকে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন উপহার দিন।

 





আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের

আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের

স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান

জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান

বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না: অর্থমন্ত্রী

শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না: অর্থমন্ত্রী

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক শক্তিকে সচেতন থাকতে হবে: রিজভী

পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক শক্তিকে সচেতন থাকতে হবে: রিজভী

তথ্যমন্ত্রীর সাথে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে যৌথ মিডিয়া ফোরাম গঠনের প্রস্তাব

তথ্যমন্ত্রীর সাথে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে যৌথ মিডিয়া ফোরাম গঠনের প্রস্তাব

আরও...