বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২রা জানুয়ারী ২০২৬ বিকাল ০৫:৩৩
৪৫৪
পৌষের হাড়কাঁপানো শীতে জবুথবু সারা দেশ। ১৬-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেই যখন জনজীবন বিপর্যস্ত, তখন অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে— তুষারপাত হতে আর কতটুকু বাকি? প্রতিবেশী দেশ ভারতের দার্জিলিং বা সিকিমে বরফ পড়লেও বাংলাদেশে কেন পড়ে না? ভবিষ্যতে কি এ দেশে তুষারপাতের কোনো সম্ভাবনা আছে? বিজ্ঞানের আলোকে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে ঢাকা মেইল।
বাংলাদেশে তুষারপাত কেন হয় না?
তুষারপাতের জন্য প্রধানত দুটি শর্ত প্রয়োজন: বাতাসের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকা এবং বায়ুমণ্ডলে পর্যাপ্ত জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি। বাংলাদেশে তুষারপাত না হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো-
হিমালয়ের বাধা: রাশিয়ার সাইবেরিয়া থেকে আসা অতি শীতল বাতাস দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় হিমালয় পর্বতমলায় বাধা পায়। ফলে এই হিমশীতল বাতাস সরাসরি বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে না। যেটুকু বাতাস আসে, হিমালয় পার হওয়ার সময় তা অনেকটাই উষ্ণ হয়ে যায়।
ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশ একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশ এবং এর সিংহভাগ এলাকা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে খুব কম উচ্চতায় অবস্থিত। উচ্চতা যত বাড়ে, তাপমাত্রা তত কমে। দার্জিলিং বা হিমালয় অঞ্চলের উচ্চতা অনেক বেশি হওয়ায় সেখানে তাপমাত্রা শূন্যের নিচে নামে, যা সমতল বাংলাদেশে সম্ভব হয় না।
শুষ্ক বায়ু: বাংলাদেশের শীতকাল মূলত শুষ্ক। তুষার তৈরির জন্য মেঘে যে পরিমাণ আর্দ্রতা ও শীতলতা প্রয়োজন, তা আমাদের সমতল ভূমির বায়ুমণ্ডলে সচরাচর তৈরি হয় না।
২০৩০ সালে কি ‘ছোট তুষারযুগ’ আসছে?
কয়েক বছর ধরে বিজ্ঞানীদের মধ্যে একটি আলোচনা চলছে যে, ২০৩০ সাল নাগাদ পৃথিবী একটি ‘ক্ষুদ্র তুষারযুগ’ বা Mini Ice Age-এর কবলে পড়তে পারে। এর কারণ হলো সূর্যের ১১ বছরের একটি চক্র বা ‘সোলার মিনিমাম’।

গবেষকদের মতে, ২০৩০ সালে সূর্যের ২৫তম চক্র শেষ হয়ে ২৬তম চক্র শুরু হবে। এ সময় সৌর কলঙ্কের সংখ্যা কমে গিয়ে সূর্যের তেজ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে (গ্র্যান্ড সোলার মিনিমাম)। অতীতে ১৬৪৫-১৭১৫ সালের দিকে এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপে তুষারযুগ দেখা গিয়েছিল। তবে আধুনিক বিজ্ঞানীরা মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক উষ্ণায়নের যুগে সোলার মিনিমাম হলেও বাংলাদেশে তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোঠায়।
সুদূর ভবিষ্যতে কি সম্ভাবনা আছে?
বিজ্ঞানীরা ‘গ্লেশিয়াল ম্যাক্সিমাম’ বা চরম তুষারযুগের কথা বলেন। পৃথিবী বর্তমানে একটি আন্তঃতুষারযুগের (Interglacial Period) মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আজ থেকে প্রায় ৫০ হাজার বছর পর পৃথিবী যখন পুনরায় পূর্ণাঙ্গ তুষারযুগে প্রবেশ করবে, তখন মেরু অঞ্চলের বরফ অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। সে সময় বৈশ্বিক তাপমাত্রা এতটাই কমে যেতে পারে যে, বাংলাদেশের মতো সমতল অঞ্চলেও তুষারপাত ঘটা অসম্ভব কিছু নয়।
আপাতত বাংলাদেশে শীত মানেই কুয়াশা, শিশির আর হিমেল বাতাস। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে শীতের তীব্রতা বা ধরন অনিশ্চিত হয়ে উঠলেও, ভৌগোলিক অবস্থান অপরিবর্তিত থাকায় নিকট ভবিষ্যতে এ দেশে তুষারপাতের কোনো প্রাকৃতিক সম্ভাবনা নেই। তুষারপাত কেবল উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য হিসেবেই থেকে যাবে।
শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক এসোসিয়েশনের ভোলা জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
মনপুরায় ১০ গ্রামে অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ১৫ হাজার বাসিন্দা
সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা
চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী
আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী
আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের
স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান
বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক