অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৯ই জুলাই ২০২৬ | ২৫শে আষাঢ় ১৪৩৩


দৌলতখানে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫শে এপ্রিল ২০২৬ সকাল ১০:৫৩

remove_red_eye

১৭৪

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার দৌলতখান উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিদর্শন ও এ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) উপজেলার ১৫ নম্বর চরগুমানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস) এ আয়োজন করে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জিজেইউএস-এর নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাজিম উদ্দিন, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান বাহার, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল হাই এবং জিজেইউএস-এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. খলিলুর রহমান।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহিদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন জিজেইউএস-এর পরিচালক মো. মোস্তফা কামাল।

অনুষ্ঠানে শিক্ষক, অভিভাবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। আলোচনায় শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি, পুষ্টি সহায়তা কার্যক্রমের কার্যকারিতা এবং সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

বক্তারা বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঝরে পড়া রোধ এবং নিয়মিত উপস্থিতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ কর্মসূচিকে আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন উঠে এসেছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. তামিম জানায়, আগে স্কুলে খাবার না থাকায় ক্ষুধা লাগত, এখন খাবার পাওয়ায় ক্লাসে মনোযোগ দেওয়া সহজ হয়েছে। একই শ্রেণির শিক্ষার্থী সিনথিয়া জানায়, বর্তমানে স্কুলে আসতে তার আগের চেয়ে বেশি ভালো লাগে এবং খেলাধুলার পরও ক্লান্তি কম অনুভূত হয়।

সহকারী শিক্ষক তাসলিমা বেগম বলেন, আগের তুলনায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত স্কুলে ফিরছে। শিক্ষক আজিজুন নাহার জানান, আগে টিফিনের পর শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ধরে রাখা কঠিন ছিল, এখন তারা শেষ পর্যন্ত উপস্থিত থাকে।

জিজেইউএস-এর নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করা হচ্ছে।”

প্রধান অতিথি আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর বলেন, “স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুধু খাদ্য সহায়তা নয়, এটি শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করার কার্যকর হাতিয়ার। এর ফলে উপস্থিতি বাড়ছে, ঝরে পড়া কমছে এবং শিক্ষার্থীরা মনোযোগ দিয়ে পাঠ গ্রহণ করতে পারছে।”

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহিদ উদ্দিন বলেন, এ কর্মসূচির ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ঝরে পড়ার হার কমেছে। পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সভা শেষে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ভোলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় দৌলতখান উপজেলার ১০৬টি, বোরহানউদ্দিন উপজেলার ১৫৬টি, তজুমদ্দিন উপজেলার ১১০টি এবং মনপুরা উপজেলার ৪৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৫২ হাজার ৭২৭ জন শিক্ষার্থী এ সুবিধা পাচ্ছে।





মনপুরায় টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

মনপুরায় টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ভোলায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ

ভোলায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ

উত্তাল সাগরে যেতে পারছেনা শতশত ট্রলার কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো জেলে

উত্তাল সাগরে যেতে পারছেনা শতশত ট্রলার কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো জেলে

মনপুরায় প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

মনপুরায় প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ভোলায় শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা ও পর্যালোচনা সভা

ভোলায় শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা ও পর্যালোচনা সভা

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার

ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার

২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী

২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান পেলেন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান পেলেন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদলের ৩০০ নেতাকর্মী বহিষ্কার

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদলের ৩০০ নেতাকর্মী বহিষ্কার

আরও...