অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৩শে মে ২০২৬ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলায় আকষ্মিক ঝড়ে অর্ধশত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ, গাছপালা ও খুঁটি উপড়ে বিদ্যুৎ বিছিন্ন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩শে মে ২০২৬ রাত ০৮:৩৩

remove_red_eye

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে শনিবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের গুপ্তমুন্সি গ্রামে প্রায় অর্ধশত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। উপড়ে পড়েছে বহুগাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি। এতে ওই গ্রামের মানুষের সড়ক যোগাযোগ সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়। বিছিন্ন রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। এছাড়া পেঁপসহ বিভিন্ন সবজি বাগানের মাটির সাথে মিশে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার (২৩ মে) দুপুর ১২ টার পরে আকাশ অন্ধকার হয়ে বৃষ্টির সাথে দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে প্রবল বেগে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। কয়েক মিনিটের ঝড়ে শত শত গাছপালা ও বিদ্যুতের খুটি উপড়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. হিরণ জানান, ঝড়ের আঘাতে তার বাড়ির সামনের গুপ্তমুন্সি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘরটি ধুমরে মুচরে যায়। ঘূর্ণিবাতাসে টিনের চালাগুলো উড়িয়ে নিয়ে বিলের মধ্যে ফেলেছে। ভিটির উপরের চেয়ার টেবিল ও বেঞ্চ উড়িয়ে নিয়ে ফেলেছে পাশের জমিতে। তার কাঠালসহ ৩টি কাঠাল গাছ পড়ে গেছে। এতে তার বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া তার পাশের বাড়ির একটি ঘরের টিনের বারান্দা ও একটি রান্নাঘরের চাল উড়ে গেছে। একই এলাকার বাসিন্দা মো. খোকন জানান, ঝড়ের সময় বড় একটি চাম্বুলগাছ তার টিনের ঘরের উপর পড়ে ঘরটি ধুমরে মুছরে যায়। গাছ পড়ার শব্দ পেয়ে তারা দ্রুত ঘরের পিছনের দিকে সরে যাওয়ায়  অল্পের জন্য তার স্ত্রীর সন্তানরা প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর মাতাব্বর জানান, গুপ্তমন্সি- পরানগঞ্জ রাস্তার পাশের ৫০টির বেশি বড় বড় উপড়ে পড়েছে। এতে ওই সড়কের যান চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়রা ডাল পালা কেটে গাছগুলো সরিয়ে নেয়ার কাজ করছেন। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী,  গাছ উপড়ে পরে অন্ততঃ ১০টি ঘর সম্পূর্ণ ও অর্ধশতাধিক আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় ঝড়ের পর থেকেই ওই এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন রয়েছে। এতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ার কথা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান জানান, ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে।