বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২রা জুন ২০২৬ সকাল ০৯:৫৮
১০৫
ভোলায় তোফায়েল আহমদের গ্রামে শোকে স্তব্ধ মানুষ
মলয় দে : বাড়ির সামনে সেই পরিচিত পথ। বসার ঘরে সাজানো আসবাবপত্র, দেয়ালে টাঙানো ছবি আর স্মৃতির নানা চিহ্ন। সবকিছুই যেন আগের মতো আছে। শুধু নেই সেই মানুষটি, যার উপস্থিতিতে বছরের পর বছর প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে থাকত পুরো বাড়ি আর আশপাশের এলাকা।
ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিন দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের সেই বাড়িতেই জন্মেছিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং টানা নয় বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ। সোমবার তার মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছানোর পর থেকেই বাড়িটি পরিণত হয়েছে শোকাহত মানুষের মিলনস্থলে।
দুপুর গড়াতেই গ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসতে শুরু করেন। কেউ বাড়ির সামনের পারিবারিক কবর স্থানের সামনের খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে নীরবে স্মৃতিচারণ করছেন, কেউবা বসে আছেন গভীর বিষন্নতায়। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও ভিড় করছেন প্রিয় এ ব্যাক্তিত্বের শেষ আশ্রয়স্থলের কাছে।
গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা শাহে আলম বলেছেন, “ছোটবেলা থেকে তাকে দেখেছি। এত বড় নেতা হয়েও গ্রামের মানুষের খোঁজখবর নিতে ভুলতেন না। আজ মনে হচ্ছে আমরা পরিবারের একজন অভিভাবককে হারালাম।”
কথা বলতে বলতেই চোখ ভিজে ওঠে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সিরাজের। তিনি জানান, “যখনই এলাকায় আসতেন, সবার সঙ্গে কথা বলতেন। আমাদের সুখ-দুঃখের খবর নিতেন। এমন মানুষ আর হবে না।” বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা স্থানীয় এক আওয়ামী লীগের ( কার্যক্রম নিষিদ্ধ) কর্মী বললেন, “আমরা শুধু একজন নেতাকে হারাইনি, একজন অভিভাবককে হারিয়েছি। তার নির্দেশনা আর সাহস আমাদের রাজনৈতিক জীবনের বড় শক্তি ছিল।” এসময় অনেকেই স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। কেউ বলছেন উন্নয়নের কথা, কেউ বলছেন ব্যক্তিগত স্মৃতির কথা। তাদের কণ্ঠে বারবার ফিরে আসে একজন সহজ-সরল, জনবান্ধব এবং মানুষের প্রতি নিবেদিত রাজনীতিকের গল্প।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া তোফায়েল আহমেদ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করলেও নিজের জন্মভূমি ভোলার প্রতি তার ছিল বিশেষ টান। শিক্ষা, নদী ভাঙন, যোগাযোগ ও সামাজিক উন্নয়নের নানা উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার উন্নয়নে রেখেছেন উল্লেখযোগ্য অবদান।
সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেও কোড়ালিয়ার সেই বাড়িতে মানুষের আনাগোনা থামেনি। কেউ নীরবে দাঁড়িয়ে আছেন, কেউ স্মৃতির পাতায় ফিরে যাচ্ছেন। আর বাড়ির প্রতিটি কোণ যেন নীরবে জানিয়ে দিচ্ছে সবকিছুই আছে, শুধু তিনি নেই।
মনপুরায় টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ভোলায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ
উত্তাল সাগরে যেতে পারছেনা শতশত ট্রলার কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো জেলে
মনপুরায় প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
ভোলায় শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা ও পর্যালোচনা সভা
রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী
ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার
২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান পেলেন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা
শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদলের ৩০০ নেতাকর্মী বহিষ্কার
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক