বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ই জুলাই ২০২৬ বিকাল ০৪:০০
৪
ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক আয়োজন শেষে সমাহিত করা হয়েছে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে ইরানের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় মাশহাদ শহরে ইমাম রেজান মাজারের কাছে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে। আজ সরকারিভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে তেহরান।
মৃত্যুঞ্জয়ী আলী খামেনি এই মাশহাদ শহরেই ১৯৩৯ সালের ১৫ জুলাই জন্মেছিলেন। মৃত্যুর পর এই শহরেই মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়ার মধ্যদিয়ে অনন্তলোকে যাত্রা করলেন।
খামেনির দাফনের সময় তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু তার মেজো ছেলে এবং ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে সেখানে দেখা যায়নি।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। নারকীয় হামলার প্রথম দিনেই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী, কন্যা, নাতি, এবং মোজতবা খামেনির স্ত্রী নিহত হন এবং মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লা খোমেনি। ১৯৮৯ সালে তার মৃত্যুর পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এ পদে আসেন এবং গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই পদেই অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি। সর্বোচ্চ নেতার পদে আসীন হওয়ার আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন খামেনি।
বৃহস্পতিবার যখন খামেনির মরদেহ একটি ট্রাকে করে মাশহাদের জনাকীর্ণ সড়ক দিয়ে ইমাম রেজার মাজারের দিকে নেওয়া হচ্ছিল, সেই সময় ট্রাকের দুই পাশে সাদা পাগড়ি পরা আলেমরা হাঁটছিলেন। কালো পোশাক পরা শোকাহত লাখো মানুষ ইরানের জাতীয় পতাকা, খামেনির ছবি এবং বিপ্লবী স্লোগান–সংবলিত লাল প্ল্যাকার্ড হাতে শোকযাত্রায় অংশ নেন।
খামেনির দাফনের মধ্যে দিয়ে ইরানে গত ছয় দিন ধরে চলা রাষ্টীয় শোক আয়োজনের সমাপ্তি ঘটল। শোকের এই মহাসমাবেশে খামেনির চার ছেলের মধ্যে তিনজন উপস্থিত ছিলেন— মোস্তফা খামেনি (বড় ছেলে), মাসুদ খামেনি (সেজো ছেলে) এবং মেইসাম খামেনি (ছোট ছেলে)। দাফনের সময় শেষ জানাজার নামাজে ইমামতি করেন বড় ছেলে মোস্তফা খামেনি। বাকি দুই ছেলেও উপস্থিত ছিলেন, তবে মেজো ছেলে এবং বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ছিলেন না। পুরো শোক আয়োজনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনুপস্থিত ছিলেন তিনি।
ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কা এবং চিকিৎসাধীন থাকায় মোজতবা তার পিতার শোক অনুষ্ঠান এবং জানাজায় আসতে পারেননি। ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় গুরুতর আহত মোজতবা ধীরে ধীরে সেরে উঠছেন বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। ধর্মীয় পরিবারে জন্ম নেওয়া খামেনি তরুণ বয়সে কোম ও মাশহাদে ইসলামি শিক্ষা লাভ করেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি দ্রুত দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন। ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। এরপর ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় ৩৭ বছর তিনি সেই দায়িত্বে ছিলেন।
চট্টগ্রামে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০ পদক্ষেপ
চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত
দেশের ১৪ অঞ্চলে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী
দুই দফা কমার পর ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
বৃষ্টির অজুহাতে সবজির বাজার চড়া, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি
হাজার কোটি টাকা গিলে খাচ্ছে জলাবদ্ধতা!
আগামী পাঁচ বছরে ৯ লাখ বেকারের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা কর্মসংস্থান ব্যাংকের
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
মরক্কোকে বিদায় করে সেমিফাইনালে ফ্রান্স
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক