অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১৭ই জুলাই ২০২৬ | ২রা শ্রাবণ ১৪৩৩


যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ব্যবস্থা হ্যাকিং ঝুঁকিতে: ট্রাম্প


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ই জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০৪

remove_red_eye

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ব্যবস্থা হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সম্প্রতি হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ২০২০ সালের নির্বাচনকে ঘিরে চীন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তার দাবি, এর মাধ্যমে প্রায় ২২ কোটি মার্কিন ভোটারের তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

ট্রাম্প আরও বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার না হলে ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোও প্রভাবিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এ বিষয়ে থাকা গোয়েন্দা তথ্যের গোপনীয়তা তুলে নেওয়ার ঘোষণাও দেন তিনি।

 

তার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থা নিরাপদ নয় এবং এটি হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে।

নির্বাচনী অবকাঠামোর দুর্বলতা নিয়ে থাকা তথ্য প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
২৪ মিনিটের ভাষণের শেষ দিকে ট্রাম্প ‘সেভ অ্যাক্ট’ পাস করার আহ্বান জানান।

এই আইনের পূর্ণ নাম ‘সেইফগার্ড আমেরিকান ভোটার এলিজিবিলিটি অ্যাক্ট’। প্রস্তাবিত এই আইনে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে। তবে ভোটাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন বলছে, এই আইন কার্যকর হলে লাখ লাখ যোগ্য ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগে সমস্যায় পড়তে পারেন। 

 

তবে ২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে এর আগেও ট্রাম্প ও তার সমর্থকেরা নানা অভিযোগ তুলেছিলেন। এ নিয়ে করা ৬০টির বেশি মামলায় নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের মতো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভোট পুনর্গণনা, নিরীক্ষা এবং তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসনের বিচার বিভাগও এমন কোনো প্রমাণ খুঁজে পায়নি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, চীনের কর্মকর্তারা বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ভোটার নিবন্ধনের তথ্য বিশ্লেষণ করেছিলেন। তবে নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের মতো কোনো প্রমাণ ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

এদিকে ট্রাম্পের অভিযোগের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ চাং বলেন, চীন সব সময় অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি অনুসরণ করে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করেন মার্কিন জনগণ। চীন কখনও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।