বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ রাত ০৯:৪৪
৮৯৮

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক || ভোলায় যৌতুকের জন্য একাধিকবার স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছে আদালতে মামলা দায়ের করায় হত্যার হুমকীর ভয় ও আতংঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গৃহবধূ ফারহানা আলম তানিয়া (২৮)। ওই গৃহবধূর স্বামী গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালত থেকে গত ২০ আগস্ট গ্রেফতারী ওয়ারেন্ট হলেও তাকে পুলিশ গ্রেফতার না করায় জনমতে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ঘটনাটি ভোলা শহরের পৌর ৫ নং ওয়ার্ডের কালিনাথ রায়ের বাজার এলাকার।
গৃহবধূ ফারহানা আলম তানিয়া জানান, তার বাবার বাড়ি লক্ষীপুর জেলার রামগতি থানার চর আলেক ডেন্ডার গ্রামের। তার পিতা মোঃ মোরশেদ আলম একজন স্কুল শিক্ষক। তানিয়া ওই এলাকা থেকে এইচএসসি পাশ করার পর ২০০৮ ভোলার শহরের পৌর ৫ নং ওয়ার্ডের কালিনাথ রায়ের বাজার এলাকায় নানা বাড়ি থেকে ভোলা সরকারি কলেজে ডিগ্রীতে ভর্তি হন। একই কলেজে তার স্বামী গিয়াস উদ্দিন অনার্সে পড়াশুনা করার সুবাদে তাদের দেখা হয়। এবং তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর ২০১১ সালের ডিসেম্বরে গিয়াস উদ্দিন তাকে মিথ্যা কথা বলে এবং আমার পরিবারকে না জানানোর কথা বলে বিয়ে করে। বিয়ের পর গিয়াস আমাকে নিয়ে কালিনাথ রায়ের বাজার একটি ঘর ভাড়া করে থাকে। বিয়ের পর থেকে গিয়াস উদ্দিন তাকে যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে। পরে তিনি তার বড় বোনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় সাড়ে ৫ লাখ টাকা এনে দেয়। এরপর নতুন কৌশলে গিয়াস উদ্দিন আবারও টাকা দাবী করে। এবার তার ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পদে চাকরি জন্য ঘুষ লাগবে এ বলে তার বাবার কাছ থেকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা দেয়। এর কিছুদিন পর আবারও সোনালী ব্যাকে চাকরি জন্য তার বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দেওয়া জন্য চাপ দেয়। এতে সে রাজী না হলে তাকে একাধিকবার নির্যাতন করতে থাকে। নির্যাতন সইতে না পেরে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন এনজিও ও স্থানীয়দেও কাছ থেকে প্রায় ৬ লাখ টাকা সুদে টাকা ধার নেয়। ওই টাকা পরিশোধের জন্য আমি বললে সে আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে চলে যায়। এবং আমাকে ছেড়ে দিবে বলে হুমকী দেয়। আমি তাকে নেকবার ফোন দিলেও সে ফোন রিসিভ করেনি। পরে আমি বাধ্য হয়ে তার কর্মস্থল সোনালী ব্যাংক লালমোহন শাখায় গেলে সে আমাকে দেখে ব্যাংকের দারোয়ান দিয়ে টেনে হেচড়ে একটি রুমে বন্ধ করে রাখা। ওই সময় ওই ব্যাংকের গ্রহকরা বিষয়টি জানতে পারলে আমাকে ছেড়ে দিতে বলে গিয়াস পালিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, আমি বাধ্য হয়ে গত ৮ আগস্ট ভোলা আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। এরপর থেকে গিয়াস আমাকে মামলা তুলে দেওয়ার জন্য বলে। আর মামলা যদি তুলে না দেই তাহলে সে আমাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলতে বলে। এছাড়াও আমার ননদ ও শ্বশুড় বাড়ির লোকজন ও গিয়াসের পোশা ক্যাডাররাও আমাকের প্রতিদিন হত্যার হুমকী দিয়ে আসছে। বর্তমানে আমি ভয়ে ও আতংঙ্কে পালিয়ে জীবন কাটাচ্ছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত গিয়াস উদ্দিনের সাথে তার ফোন নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সাংবাদিকের পরিচয় শুনে সে পওে কথা বলতে বলে ফোন বন্ধ করে দেয়। ফলে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ভোলা মডেল থানার ওসি মোঃ ছগীর মিঞা জানান, আমরা আসামীকে গ্রেফতার চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছি। খুব দ্রæত তাকে গ্রেফতার করতে আমরা সক্ষম হবে।
রাত ৩টা পর্যন্ত অফিশিয়াল কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী
সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও ডাটাবেজ তৈরি হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী
৯০০ জনের লড়াই, বিএনপিতে কপাল খুলছে কোন ৩৬ নারীর?
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বাড়লো ২১২ টাকা
প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী
একদিনেই ৪০ লাখ ভিউ, ঝড় তুলেছে ধর্ষণ-প্রতিশোধের এই নাটক
সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী
অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবে: নাহিদ ইসলাম
আইএমএফসহ দাতা সংস্থার শর্তে পুরোপুরি একমত নয় সরকার: অর্থমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক