অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৭শে আষাঢ় ১৪৩৩


জাতীয় শোক দিবসে ভোলায় মন্দিরে মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা সভা


অচিন্ত্য মজুমদার

প্রকাশিত: ১৫ই আগস্ট ২০২১ রাত ১১:১৬

remove_red_eye

৭৮৬

অচিন্ত্য মজুমদার :: জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ভোলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মন্দিরে মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শহরের শ্রী শ্রী লক্ষ্মী গোবিন্দ ঠাকুর জিউর মন্দির ও শ্রী শ্রী মদন মোহন ঠাকুর জিউর মন্দিরে পৃথক পৃথক প্রার্থনা সভার আয়োজন করে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

শ্রী শ্রী লক্ষ্মী গোবিন্দ ঠাকুর জিউর মন্দিরে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার সাহার সভাপতিত্বে প্রার্থনা পরিচানা করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের অন্যতম সদস্য প্রকৌশলী শ্রী দুলাল চন্দ্র ঘোষ। এসময় বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট নিহত সকলের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে, সহ সভাপতি শিবু কর্মকার, সমীর কান্তি দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিশ্বর হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ মিন্টু লাল কর্মকার, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রণয় কুমার সাহা, ডিবিসি নিউজের জেলা প্রতিনিধি অচিন্ত্য মজুমদার, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শান্ত ঘোষসহ উপজেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে একই সময়ে শহরের শ্রী শ্রী মদন মোহন ঠাকুর জিউর মন্দিরে মন্দির কমিটির সভাপতি রামকৃষ্ণ বনিক দুলালের সভাপতিত্বে  প্রার্থনা পরিচানা করেন মন্দিরের অন্যতম সদস্য শ্র দীপক তালুকদার। এসময় উপস্থিত ভক্তবৃন্দরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীরভাবে স্মরণ করার পাশাপাশি তার এবং ১৫ আগস্টে মর্মান্তিক সেই হত্যাকান্ডের শিকার তার পরিবারের অন্যান্য শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করেন।  

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ দুলাল চন্দ্র ঘোষ, গোপাল চন্দ্র সাহা, সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা প্রাণ গোপাল দে, ভোলা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক অবিনাস নন্দী,  সদস্য সচিব ধ্রুব হাওলাদার, মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার পাল প্রমুখ।  

এছাড়া জেলার বিভিন্ন মন্দিরে সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রার্থনায় সভার আয়োজন করেন।