বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ রাত ১১:৪৬
৫১৫
অচিন্ত্য মজুমদার II ইলিশসহ সব ধরনের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে ভোলাসহ দেশের ছয়টি অভয়াশ্রমে প্রতিবছরের মতো এ বছরও আজ থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত টানা দুই মাস নদীতে সকল প্রকার জাল ফেলা এবং মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা পয়েন্ট থেকে মনপুরা উপজেলার চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীর ৯০ কিলোমিটার ও তেঁতুলিয়া নদীর ভোলা সদর উপজেলার চর ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালীর জেলার চর রুস্তম পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
মাছ শিকার থেকে বিরত থাকার লক্ষ্যে জেলেদের মাঝে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল বিতরণ করা হবে। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যারা মাছ শিকার করবে তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগ যৌথ ভাবে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে মেঘনায়-তেঁতুলীয়ায় নদীতে অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ২০০৩-০৪ সাল থেকে অক্টোবর মাসে মা ইলিশ রক্ষা কার্যক্রম ও মার্চ-এপ্রিল দুই মাস জাটকা নিধন রক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে সরকার। ইলিশের বেড়ে ওঠার পাশা-পাশি অন্যান্য মাছ নদীতে ডিম ছাড়ে। নিষেধাজ্ঞার এই সময় জেলেরা যাতে নদীতে মাছ শিকারে না নামে তার জন্য মৎস্য বিভাগ ভোলা জেলার ১৩২টি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন এলাকায় চালিয়ে যাচ্ছে বিশেষ প্রচার-প্রচারণা। পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু ঋণের কিস্তি পরিশোধ ও বিকল্প কর্মসংস্থান না হওয়ায় মাছ শিকারে নেমে পড়ছে জেলেরা। নিষেধাজ্ঞা সময়ে কিস্তি বন্ধসহ বিকল্প কর্মসংস্থান চান তারা।
নিষেধাজ্ঞার খবরে শেষ মূহুর্তে ভোলার মাছ ঘাট গুলোতে বেরেছে কর্মব্যস্ততা। ক্রেতা, বিক্রেতা ও পাইকারদের হাকডাকে মুখরিত মাছ ঘাট গুলো। কেউ কেউ নিষেধাজ্ঞার খবরে সাগর ও নদী থেকে মাছ শিকার শেষ টরে ফিরে এসেছেন গন্তব্যে। ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজাহারুল ইসলাম জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা সফল করতে নদীতে সকল প্রকার মাছ ধরা বন্ধে সার্বক্ষণিক মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের যৌথ সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে। দু'একদিনের মধ্যেই জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ এর চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হবে। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী জেলেদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল জরিমানার আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও জানান, সরকারের নিদর্শনায় ইতিমধ্যে জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে মৎস্য বিভাগ থেকে জেলার প্রতিটা উপজেলায় নিবন্ধিত জেলেদের মধ্যে গরু বিতরণসহ বিভিন্ন উপকরণ দেয়া হয়েছে। এর ধারাবাহিকতা জেলার সব জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের আওতায় নিয়ে আশা হবে বলেও জানান তিনি।
ভোলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ভোলা জেলায় দুই লক্ষাধিক জেলের মধ্যে নিবন্ধিত জেলে রয়েছে এক লক্ষ ৪৬ হাজার ৯৩১ জন। এর মধ্যে সরকারের বরাদ্দকৃত প্রণদনার চাল পাচ্ছেন ৯২ হাজার ৬৬১ জেলে। এ বছর জেলায় ইলিশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন, যা গত বছর ছিলো ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন।
সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা
চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী
আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী
আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের
স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান
বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না: অর্থমন্ত্রী
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক