বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬শে জুলাই ২০১৯ রাত ০৯:৪১
৩০১৯
আমিনুল ইসলাম, চরফ্যাশন থেকে : চরফ্যাশন সরকারি হাসপাতালের ভেতরে-বাইরে দালালরা চষে বেড়াচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারসহ অসংখ্য ঔষধ বিক্রির দোকানের নিযুক্ত দালালদের একটি সক্রিয় সিন্ডিকেট চক্র রোগীদের সর্বশান্ত করার অভিযোগ রয়েছে। বিধি অনুযায়ী কোন সরকারী হাসপাতালের ২শ গজের মধ্যে বে-সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থাকতে পরবেনা। আইনের তোয়াক্কা না করে চরফ্যাশন সরকারী হাসপাতালের বাউন্ডারি ওয়াল ঘেষে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ২৭ টি প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার। হাসপাতাল অভ্যন্তরে কোল ঘেষে গড়ে ওঠা ঔষধের দোকান মালিকদের রিক্রুটকৃত দালালদের দিয়ে হাসপাতালের রোগীদের কৌশলে ফুসলিয়ে নিয়ে যায় ঔষধের দোকানে। ফলে রোগী ও তাদের স্বজনদের চড়া দামে ঔষধ কিনতে হয়। বে-সরকারী হাসপাতালের দালালরা সরকারী হাসপাতালের রোগী নিয়ে যায় তাদের স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানে।
সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত দালালরা নির্দিষ্ট সময়ে কেউ থাকেন ডাক্তারের রুমে, কেউ থাকেন ঘোরাফেরার মধ্যে আবার অন্যজন ব্যস্ত থাকেন রোগীদের নিয়ে নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা নিরীক্ষা বা ঐষধ বিক্রির কাছে। এই দালাল চক্রের মধ্যে নারীসহ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রোগীকে হয়রানী মূলক কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারী হাসপাতালের জনৈক ডাক্তার বলেন,রোগ মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে মারাত্মক ভাবে ব্যহত, দুর্দশাগ্রস্ত এবং অসহায় করে তোলে। সরকারি হাসপাতালে আসা রোগাক্রান্ত মানুষকে তাদের মৌলিক অধিকার সু-চিকিৎসা সঠিক ভাবে নিশ্চিত করা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। কিন্তু দেখা যায় হাসপাতালে জেনারেল সার্জারী, অর্থোপেডিক, গাইনী, মেজর ও মাইনর অপারেশন ও প্যাথলজি পরিক্ষা, এক্স-রে, ইসিজি, যক্ষা ও কুষ্ঠসহ প্রায় সকল পরিক্ষা এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকলেও কর্তব্যরত ডাক্তার অসহায় রোগীদের অপ্রয়োজনীয় পরিক্ষা নিরীক্ষা দিয়ে দালালদের হাতে তুলে দেন।
আছলামপুর ইউনিয়ন থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সোলায়মান বলেন, হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার সাহেবের কক্ষে থাকা কালীন একজন দালাল ধরিয়ে দিয়ে বলে ওনার সাথে গিয়ে অমুক ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে গিয়ে পরীক্ষাগুলো করে আসুন। ডাক্তার কক্ষ থেকে বাহির হয়ে আসলেই ৩/৪ জন দালাল ডাক্তারে দেয়া কাগজটি নিয়ে টানাটানি শুরু করে। রক্ত ও ইউরিনসহ ৪টি পরীক্ষার জন্য ডায়াগনষ্টিক কর্তৃপক্ষ ২ হাজার ৮শ টাকা নিয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সিরাজ উদ্দিন বলেন, দালাল চক্রের খপ্পরে পরে অনেক রোগী ও তাদের স্বজনরা সর্বশান্ত হয়েছে। দালালদের পুরোপুরি হাসপাতাল থেকে সরানো যায়নি। তারা সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় অপ্রতিরোধ্যভাবে এই পেশায় জড়িত। এ ব্যাপারে অনেক ভুক্তভোগীরা আমার কাছে অভিযোগ করেছে কিন্তু আমি হাসপাতালকে দালাল মুক্ত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
মনপুরায় টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ভোলায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ
উত্তাল সাগরে যেতে পারছেনা শতশত ট্রলার কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো জেলে
মনপুরায় প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
ভোলায় শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা ও পর্যালোচনা সভা
রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী
ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার
২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান পেলেন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা
শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদলের ৩০০ নেতাকর্মী বহিষ্কার
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক