অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলার রাজাপুরের গণধর্ষণ মামলার আরো এক আসামী গ্রেফতার


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮শে জুন ২০২২ সকাল ১০:০৭

remove_red_eye

৪৬১

আকতারুল ইসলাম আকাশ II  ভোলা সদর উপজেলা রাজাপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে হবু স্বামীর সঙ্গে রিকশা যোগে বাড়ি ফেরার পথে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলার ২ নম্বর আসামি মো. ফোরকান হোসেন আদিফকে (২২) রাজধানী ঢাকা মিরপুর-১ এলাকার শাহ আলী মহিলা কলেজ গেইটের সামনে থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ এর একটি দল। রবিবার (২৬জুন) দিনগত রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আদিফ সদর উপজেলা রাজাপুর ইউনিয়নের চর মনসা গ্রামের আবু সুফিয়ান সিকদারের ছেলে। এ পর্যন্ত মামলার প্রধান আসামিসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে

সোমবার (২৭ জুন) সকালে ভোলা সদর মডেল থানার (ওসি তদন্ত) মো. আরমান হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ, চলতি বছরের ১ মে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে গণধর্ষণের শিকার ভিক্টিম তাঁর হবু স্বামীর (বর্তমানে বিবাহিত) সঙ্গে একটি অটোরিকশা যোগে রাজাপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে ভিক্টিমের নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন।

অটোরিকশাটি ওই ইউনিয়নের চর মনসা গ্রামে পৌঁছালে মামলার প্রধান আসামি আমজাদ হোসেন আরিয়ান তাঁর ৫-৭ জন বন্ধু নিয়ে অটোরিকশাটি গতিরোধ করে। পরে রিকশা থেকে ভিক্টিমকে নামিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে হবু স্বামীর সামনে গণধর্ষণ করে। রাত আড়াইটার দিকে ভিক্টিম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদেরকে ওই পরিত্যক্ত ঘরে রেখে পালিয়ে যায় আসামিরা।

পরে রাতেই ভিক্টিমের হবু স্বামী ভিক্টিমকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এরপর ৮ মে রাতে ভোলা সদর মডেল থানায় ভিক্টিম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। যাঁর মামলা নম্বর-১৫/২২।

মামলার প্রধান আসামি আমজাদ হোসেন আরিয়ানকে গত ২০ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকার গোদনাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি আমজাদকে ভোলা কোর্টে প্রেরণ করা হলে আসামি ঘটনার পুরো বিষয়টির স্বীকারোক্তি দেয়। ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতে আসামি আরও কয়েকজন পলাতক আসামির নাম জানায়। যাঁরা ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত। আসামির দেয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে মুসল্লী সেজে গ্রেফতার করা হয় উজ্জ্বলকেও।