অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় ইজিবাইক চুরির গ্যাং ও যন্ত্রাংশের গোডাউন জব্ধ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১শে সেপ্টেম্বর ২০২২ রাত ০৯:৩৫

remove_red_eye

৪২১



ভোলায় চুরি যাওয়া একটি ইজিবাইক খুঁজতে গিয়ে সংঘবদ্ধ গ্যাং ও চুরির মালামালের একটি গোডাউনের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ বিভাগ। বুধবার গ্যাংক সদস্যেও ৪জনসহ গোডাউনের মালামাল জব্ধ করা হয়। ওই গোডাউনে নতুন ৬টিসহ প্রায় অর্থ শতাধিক ইজিবাইকের যন্ত্রাংশ পাওয়া গেছে। পুরে এক এক প্রেসব্রিফিংকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ ফরহাদ সরদার জানান, ১৯ সেপ্টেম্বও সকাল সাড়ে ৮টায় জেলা শহরের কাচাবাজারের মদনমোহন মন্দিরের পাশ থেকে মান্নান কারিগরের মালিকানাধীন একটি ইজিবাইক চুরি যায়। ওই ইজিবাইক সন্ধানে ভেলুমিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা ও ভোলা থানার ওসি শাহীন ফকিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযান শুরু করে। এ সময় সংর্ঘবদ্ধ একটি চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ। এরা মাস্টার কী দিয়ে রাস্তার পাশে ফাঁকা থাকা যে কোন ইজিবাইক সহজে চালিয়ে দ্রæত একটি নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে তা তার যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে। ওই সব মালামাল গোডাউনে নিয়ে মজুত করে। পরে তা ঢাকা বা চট্টগ্রাম নিয়ে বিক্রি করা হয়। জেলায় ওই চক্রের সদস্যরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন স্থান থেকে এভাবে সহজে ইজিবাইক চুরি করছে। ওই চক্রের আটক সদস্যরা হলো বাপ্তা ইউনিয়নের মিলন ফরাজি, একই ইউনিয়নের মোঃ নয়ন চাপরাশি, ভেদুরিয়া ইউনিয়নের মোঃ লিটন ও ভেলুমিয়া ইউনিয়নের মোঃ ছিদ্দিন মৃধা। ছিদ্দিক মৃধার কাছ থেকে ৭৮ হাজার ৭৫০ টাকা ও একটি মাস্টার কী পাওয়া যায়। নয়ন ও লিটন স্বীকার করেন মাস্টার কী দিয়ে তারা ইজিবাইক সহজে চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। তারা ওইভোলায় ইজিবাইক চুরির গ্যাং
ও যন্ত্রাংশের গোডাউন জব্ধ

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলায় চুরি যাওয়া একটি ইজিবাইক খুঁজতে গিয়ে সংঘবদ্ধ গ্যাং ও চুরির মালামালের একটি গোডাউনের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ বিভাগ। বুধবার গ্যাংক সদস্যেও ৪জনসহ গোডাউনের মালামাল জব্ধ করা হয়। ওই গোডাউনে নতুন ৬টিসহ প্রায় অর্থ শতাধিক ইজিবাইকের যন্ত্রাংশ পাওয়া গেছে। পুরে এক এক প্রেসব্রিফিংকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ ফরহাদ সরদার জানান, ১৯ সেপ্টেম্বও সকাল সাড়ে ৮টায় জেলা শহরের কাচাবাজারের মদনমোহন মন্দিরের পাশ থেকে মান্নান কারিগরের মালিকানাধীন একটি ইজিবাইক চুরি যায়। ওই ইজিবাইক সন্ধানে ভেলুমিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা ও ভোলা থানার ওসি শাহীন ফকিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযান শুরু করে। এ সময় সংর্ঘবদ্ধ একটি চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ। এরা মাস্টার কী দিয়ে রাস্তার পাশে ফাঁকা থাকা যে কোন ইজিবাইক সহজে চালিয়ে দ্রæত একটি নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে তা তার যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে। ওই সব মালামাল গোডাউনে নিয়ে মজুত করে। পরে তা ঢাকা বা চট্টগ্রাম নিয়ে বিক্রি করা হয়। জেলায় ওই চক্রের সদস্যরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন স্থান থেকে এভাবে সহজে ইজিবাইক চুরি করছে। ওই চক্রের আটক সদস্যরা হলো বাপ্তা ইউনিয়নের মিলন ফরাজি, একই ইউনিয়নের মোঃ নয়ন চাপরাশি, ভেদুরিয়া ইউনিয়নের মোঃ লিটন ও ভেলুমিয়া ইউনিয়নের মোঃ ছিদ্দিন মৃধা। ছিদ্দিক মৃধার কাছ থেকে ৭৮ হাজার ৭৫০ টাকা ও একটি মাস্টার কী পাওয়া যায়। নয়ন ও লিটন স্বীকার করেন মাস্টার কী দিয়ে তারা ইজিবাইক সহজে চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। তারা ওই কাজ আর করবে না বলেও জানান। জব্ধকৃত গোডাউনে  চুরি যাওয়া আব্দুল মান্নানের ইজিবাইকটি পাওয়া যায় বলেও জানান এসআই গোলাম মোস্তফকা। অপরদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান গত ৩ দিনে জেলা সদর থেকে চুরি যাওয়া ২০টি মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করে মালিকদের কাছে ফেরত দেয়া হয়েছে।  
 কাজ আর করবে না বলেও জানান। জব্ধকৃত গোডাউনে  চুরি যাওয়া আব্দুল মান্নানের ইজিবাইকটি পাওয়া যায় বলেও জানান এসআই গোলাম মোস্তফকা। অপরদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান গত ৩ দিনে জেলা সদর থেকে চুরি যাওয়া ২০টি মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করে মালিকদের কাছে ফেরত দেয়া হয়েছে।