অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় বৈরী আবহাওয়া গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি : ৭৪৬ আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩শে অক্টোবর ২০২২ রাত ০৯:১০

remove_red_eye

৩৫৪



জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

 বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ভোলায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। রবিবার সকাল থেকেই জেলা জুড়ে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে। মেঘনা নদী এখনো শান্ত। এছাড়া তেমন কোন প্রভাব এখনো দেখা যায়নি।  অপর দিকে  দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে  জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরীর সভাপতিত্বে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী জানান, ঘুর্ণিঝড় সিত্রাং মোবাকেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সকল সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের কর্মস্থলে থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার ৭৪৬টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও  এক হাজার ৩০৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে  প্রস্তুত থাকতে অবহিত করা হয়েছে।  জেলার ৭ উপজেলায় খোলা হয়েছে ৮টি কন্ট্রোল রুম। ১৩ হাজার ৬৬০জন ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছে। জেলার ৭০টি ইউনিয়ন ও সাতটি উপজেলায় একটি করে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে এবং জেলার বিচ্ছিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে আনার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। দুর্যোগকালিন সময়ে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেয়া মানুষদের জন্য শুকনো খাবারের প্যাকেট প্রস্তুত করা হচ্ছে।
ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান জানান, ভোলার মেঘনা- তেঁতুলিয়া নদীর পানি স্বাভাবিক রয়েছে। ভোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩০০ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ রয়েছে। এগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো ইতোমধ্যে মেরামত করা হয়েছে। তার পরও সকল কর্মকর্তাদের বিভিন্ন পয়েন্টে পাঠানো হয়েছে। যাতে করে ঘূর্ণিঝড়ে কোনো বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সাথে সাথে তা মেরামত করা যায়।
বাংলাদেশ অভ্যান্তরীন নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডবিøউটিএ) ভোলা নদী বন্দরের উপ-পরিচালক মো. শহীদুল ইসলা জানান, ভোলার নদী বন্দরগুলোকে তিন নম্বর সকর্ত সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। তবে ভোলার সকল রুটে নৌ-যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে নৌ-যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে। সভায় জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।