অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলা থেকে ৯ দিন ব্যাপী উপকূলীয়  জলচর পাখি শুমারি শুরু


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ই জানুয়ারী ২০২৩ সন্ধ্যা ০৬:৫০

remove_red_eye

৩৯৭



বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক  : ভোলা থেকে উপকূলীয় জলচর পাখি শুমারি শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে ভোলার খেয়াঘাট থেকে ৮ সদস্যের একটি পাখি পর্যবেক্ষক দল ট্রলার নিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রতিবছরের মতো এবারও ‘বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের আয়োজনে আগামী ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত ৯ দিন  পর্যবেক্ষক দলটি পাখি গননার কাজ করবে।
পাখি শুমারী দলের রয়েছেন,পর্বত আরোহী ও পাখি পর্যবেক্ষক এম.এ মুহিত , পাখি গবেষক সায়াম চৌধুরী , পাখি পর্যবেক্ষক অনু তারেক, পাখি গবেষক নাজিম উদ্দিন প্রিন্স, মোঃ ফয়সাল, বন বিভাগের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র কর্মকর্তা জোহরা মিলা, আইউসিএন বাংলাদেশ এর সিনিয়র প্রোগ্রাম এসিস্ট্যান্ড জেনিফার আজমিরী এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের গবেষণা কর্মকর্তা শিহাব খালেদীন।
জানাযায়, ১৯৮৭ সাল থেকে এ শুমারি শুরু হয়। উৎসাহী পাখিপ্রেমী, পর্যবেক্ষক ও গবেষকদের স্বেচ্ছাশ্রমে জলচর পাখি গণনা করা হচ্ছে।
পাখি শুমারি দলে অংশ নেয়া পর্বত আরোহী ও পাখি পর্যবেক্ষক এম.এ মুহিত গনমাধ্যমকে জানান, সারা বিশ্বের সঙ্গে মিলিয়ে উপকূলের প্রায় অর্ধশতাধীক চরসহ আসপাশের চরাঞ্চলে তারা পাখি গননা করবে। এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য- হাতিয়ার নিঝুমদ্বিপ, দমারচর, ভোলার ভাষান চর , সোনার চর, ঢালচর, মনপুরা ও চর কুকরিমুকরি, চর শাহাজালাল, মোক্তারিয়া চ্যানেল ।
শুমারি দলে থাকা পাখি গবেষক সায়াম চৌধুরী বলেন, শুধু পাখি গণনা নয়, পাখিদের জীবন, অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পাখি রক্ষায় আগামী ৯ দিন উপকূলে কাজ করবে তারা। তিনি আরো বলেন, উপকূলে দিন দিন পাখির সংখ্যা কমছে। শুধু বাংলাদেশেই নয় সারা বিশ্বেই কমে আসছে পাখি। কমে আসা কিভাবে রোধ করা যায় সে জন্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা প্রয়োজন। পাশাপাশি পাখির অভয়স্থল দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। এদের টিকিয়ে রাখতে হবে, না হলে আমাদের পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পরবে। তাই সকলকেই এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে তাহলে কিছুটা হলেও রক্ষা পাবে পাখি ও পরিবেশ।
পাখি শুমারী শেষে তাদের প্রতিবেদনটি ‘ওয়েটল্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল’ নামের আন্তর্জাতিক সংস্থা বই আকারে প্রকাশ করবে, যা পৃথিবীর জলচর পাখির গুরুত্বপূর্ণ দলিল বলে গণ্য করা হয় বলে জানা গেছে।