বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১শে জানুয়ারী ২০২৩ রাত ১০:২৪
৪৩৬
বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক : দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেলপথগুলো আবারও একে একে চালু হচ্ছে। রেলওয়ের সংযোগ পয়েন্ট চালুর মধ্য দিয়ে দু’দেশের যাত্রী ও মালামাল পরিবহনে আমূল পরিবর্তন আসছে। রেলপথে পণ্য আনা-নেওয়া সড়কপথের চেয়ে যেমন অনেক সহজ ও সাশ্রয়ী। অন্যান্য পরিবহণের তুলনায় এটি জাতীয় বা বৈশ্বিক ক্ষেত্রে আরও অর্থনৈতিক এবং নিরাপদ সুযোগ সরবরাহের দুয়ার খুলে দেয়। পৃথিবীর বেশকিছু দেশ এই চলাচল সুবিধা ব্যবহার করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়ে উন্নতির শিখরে আরোহন করছে। এছাড়া দ্বিপাক্ষিক স¤পর্কের ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী ও অন্যান্য স্বার্থভিত্তিক বিবিধ স¤পর্কে সংযুক্ত হচ্ছে। ফলে বাণিজ্যিক স¤পর্কের ক্ষেত্রে এই যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশই লাভবান হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে রেলপথ যোগাযোগ দীর্ঘদিনের। ভারত ও তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের মধ্যে ৭টি আন্তঃসীমান্ত রেল সংযোগ ছিল। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পরে ধ্বংস/বন্ধ হয়ে যায় ৫টি। যেগুলো পরবর্তীতে পুনরুদ্ধার করে কার্যকর করা হয়েছে। পেট্রাপোল ভারত)―বেনাপোল (বাংলাদেশ), গেদে (ভারত)―দর্শনা (বাংলাদেশ), সিংহবাদ (ভারত)―রোহনপুর (বাংলাদেশ), রাধিকাপুর (ভারত)―বিরল (বাংলাদেশ) ও হলদিবাড়ি (ভারত)―চিলাহাটি (বাংলাদেশ)। অবশিষ্ট ২টি রেলসংযোগ নির্মাণের অধীনে রয়েছে। আগরতলা (ভারত)―আখাউড়া (বাংলাদেশ) ও করিমগঞ্জ/মহিষাসন (ভারত)―শাহবাজপুর (বাংলাদেশ) রেলসংযোগ চালু হওয়ার পথে।
সূত্র আরো জানিয়েছে, রেলপথে বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরিতে নানা ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তিনটি আন্তঃসীমান্ত ট্রেন সার্ভিস রয়েছে। ২০০৮ সালে চালু হওয়া মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন সার্ভিসটি কলকাতা ও ঢাকা, ২০১৭ সালে চালু হওয়া বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন সার্ভিসটি খুলনা ও কলকাতার মধ্যে চলাচল করে। এই দুটি ট্রেন পরিষেবা ২০২২ সালের মে মাসের শেষের দিকে কোভিড-১৯র পরে আবার চালু করা হয়েছিল এবং ঢাকা ও নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে তৃতীয় ও নতুন আন্তঃসীমান্ত মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেন পরিষেবা ০১ জুন ২০২২-এ চালু হয়। ২০২২-এ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেলওয়ে সংযোগ বৃদ্ধিকে প্রাধান্য দিয়ে বেশ কয়েকটি নতুন প্রকল্পে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ হয়। ভারত বাংলাদেশকে অনুদানের ভিত্তিতে ২০টি ব্রডগেজ লোকো প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং দুটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়েছে―একটি ভারতীয় রেলওয়ে ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং অন্যটি বাংলাদেশ রেলওয়ের ডিজিটাইজিং ও দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে আইটি অ্যাপ্লিকেশন প্রবর্তনের জন্য। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫টি কার্যকর রেল-সংযোগের সবকটি মালবাহী ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে। ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন (বাংলাদেশ অর্থবছর ২১-২২)-এর মধ্যে পণ্য পরিবহনের মোট ১৫৯৮টি ভারতীয় রেলওয়ে রেক বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল। মোট ১৫৮৩০৫.৫ ওয়াগন বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং এ সময়ে দ্বিপাক্ষিক ট্রাফিক থেকে আয় ১৭৪,৩৩,৭২,১৯৩ টাকা। এ উদ্যোগগুলো থেকে বোঝা যায় দুদেশের মধ্যে রেল যোগাযোগের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনস্বীকার্য। বাকিগুলো চালু হলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহণ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশদুটির অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের সংখ্যাও বাড়বে। এতে দুদেশের মধ্যে ট্রেন যোগাযোগে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে।
সারা দেশের সাথে নৌযোগাযোগ বন্ধ, বিচ্ছিন্ন মনপুরা
চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী
আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী
আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান বাংলাদেশের
স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান
বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না: অর্থমন্ত্রী
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক