অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ মিছিল


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০২৩ রাত ১০:৪০

remove_red_eye

৪৩৭

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক: সম্প্রতি ডেনমার্ক ও সুইডেনে পবিত্র কুরআনে শরীফে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ ও দেশের বিতর্কিত পাঠ্যপুস্তক সংশোধনের দাবিতে ভোলায় বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। শুক্রবার  বিকল ৩টার দিকে ইসলামী আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তর শাখার আয়োজনে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে দলটির নেতাকর্মীসহ কয়েক হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের কালিনাথ রায় বাজার হাটখোলা মসজিদ চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন বাজার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে জুমার নামাজ শেষে হাটখোলা মসজিদ চত্বরে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ ভোলা জেলার সভাপতি মুফতি ইয়াছিন নবীপুরী, ইসলামী আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তরের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) এম ওবায়েদ বিন মোস্তফা, ইসলামী আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তরের সহ-সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান, সেক্রেটারী মাওলানা তরিকুল ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ইলিয়াস হাসান, দপ্তর সম্পাদক এম এ হাসিব গোলদার, ইসলামী আন্দোলন ভোলা জেলার জয়েন সেক্রেটারী মুফতি আব্দুল মমিন, মাওলানা তাজউদ্দিন ফারুকী, ইসলামী আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইউছুফ আদনান, ইসলামী যুব আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তরের সাবেক সভাপতি এইচ এম ইব্রাহীম খলিল, সভাপতি মাওলানা শোয়াইব মাহমুদ প্রমূখ।
এসময় বক্তারা বলেন, ইসলামের সাথে পশ্চিমাদের ইসলাম বিদ্বেশী  আচরণ দিবালোকের ন্যায় প্রমাণিত হয়েছে । স¤প্রতি সুইডেন ও ডেনমার্কে যেভাবে ঘোষণা দিয়ে পবিত্র কুরআনে অগ্নিসংযোগ করেছে যা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার প্রতি আঘাত করা হয়েছে। কোনো সভ্য সমাজে এ ধরণের আচরণ চিন্তাও করা যায় না। সুইডেন ও ডেনমার্কে যা হয়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একই সাথে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি যে, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেন ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোড়ালো প্রতিবাদ জানাতে হবে।
বক্তারা  ২০২৩ সালের মাধ্যমিক স্তরের বির্তকিত পাঠ্যপুস্তক সংশোধনের দাবি জানান।