অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


তাঁতশিল্পের বিকাশ ও সম্প্রসারণে তাঁতপণ্যের গুণগত মানোন্নয়নে জোর দিতে হবে : পাটমন্ত্রী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ই মার্চ ২০২৩ রাত ০৯:০৯

remove_red_eye

২২৪

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীরপ্রতীক, এমপি বলেছেন, দেশের ক্ষুদ্র তাঁতীদের তাঁতজাত পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন, পণ্য বহুমুখীকরণ ও বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। 
তিনি আজ দুপুরে রাজধানীতে তাঁতশিল্পের বিকাশ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মার্কেট প্রমোশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মান কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা জানান। 
এসময় বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ আলী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদ হোসেন, বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রি. জেনারেল মো. জাকির হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, দেশে ও বিদেশে তাঁতজাত পণ্যের প্রসারে নতুন নতুন ডিজাইন উদ্ভাবনের জন্য ফ্যাশন ডিজাইন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হচ্ছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একদিকে যেমন দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করছে, তেমনি সিবিসির মাধ্যমে তাঁতিদের স্বল্পমূল্যে তাঁতপণ্যের মানোন্নয়নে কাজ করছে। এছাড়াও তাঁতশিল্পের উন্নয়ন ও তাঁতীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য ঋণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বাংলাদেশের তাঁতশিল্পের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যকরী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবয়ন  করেছে।
মন্ত্রী তাঁত বোর্ডের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, তাঁতিদের উন্নয়নকল্পে এই ভবন নির্মান করা হচ্ছে। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় দেশের তাঁতিরা কষ্টে আছে। তাদের উন্নয়নে তাঁত বোর্ডকে এগিয়ে আসতে হবে। লাল ফিতায় যেন তাঁতিদের উন্নয়ন আটকে না যায় সে বিষয়ে বিশেষভাবে সর্তক থাকতে হবে।  তাঁতিদের সহযোগিতা করলে তারা জাতীয় অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখতে পারবে। 
তিনি বলেন , প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে  সরকার তাঁত ও বস্ত্রখাতে নতুন নতুন উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে এখাতের আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহন করছে। দেশে বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণ, দক্ষ মানব সম্পদ সৃষ্টি, কর্মংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং রপ্তানি বৃদ্ধিতে সরকার নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, তাঁতপণ্যে এই প্রমোশন সেন্টারকে তাঁতিদের উন্নয়নে ব্যবহার উপযোগি করতে হবে। এখানে ৭তলা বিশিষ্ট ভবনে ৬০টি স্থায়ী স্টল থাকবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল তাঁতি এখানে সারাবছর মেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। তাঁতিদের আশা পূরণে ১ বছরের মধ্যে ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সুত্র বাসস