অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৩০শে আগস্ট ২০২৬ | ১৫ই ভাদ্র ১৪৩৩


বঙ্গবন্ধু নিজ জন্মদিনে শিশু একাডেমি করার পরিকল্পনা করেছিলেন


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ই মার্চ ২০২৩ রাত ০৮:৫৯

remove_red_eye

৩৬৬

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৭ মার্চ শিশু একাডেমি করার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। এরপর থেকে তাঁর প্রত্যেক জন্মদিনে শিশু-কিশোররা তাঁকে  ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতো।  
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সচিব ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বাসসকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৭ মার্চ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। যদিও নানা বাস্তবতায় তাঁর জীবদ্দশায় শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়ে ওঠেনি, তবে ওইদিন যারা উপস্থিত ছিলেন- তাদের সাথে বঙ্গবন্ধু শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন।” তিনি বলেন, “আমি শুনেছি, ঐদিন যারা এসেছিলেন- তাদের মধ্যে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, রোকনুজ্জাামান দাদা ভাই, আবু জাফর শামসুদ্দিন, আবুল কালাম শামসুদ্দিন, ড. নিলীমা ইব্রাহিম, অধ্যাপক মুনির চৌধুরী ছিলেন। তাদের সাথে তিনি শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আলাপ করেছিলেন।”    
ফরাসউদ্দিন বলেন, ঐবছরই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ ব্যাংক করেছেন। ন্যাশনাল ব্যাংক করেছেন। এগুলো সব কিন্তু ১৭ই মার্চেই করেছেন।  সেদিনই তিনি শিশু একাডেমি স্থাপনের কথা চিন্তা করলেন এবং  ছেলেমেয়েদের ডেকে পাঠালেন। ঐ বছর থেকেই কিন্তু প্রতিবছর বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিশু-কিশোররা আসতো। তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মদিনে কোন বিশেষ আয়োজন থাকতো না। কোন কেকও কাটা হতো না। তবে বহু সংখ্যক শিশু কিশোর আসতো। তিনি শিশুদের সাথে অনেক সময় কাটাতেন। শিশুদের উনি খুব পছন্দ করতেন। সবাইকে মিষ্টি খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করতেন। ১৭ মার্চে  উনি শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেননি। কিন্তুএটা ওইদিনই তাঁর মাথায় আসে। 
শিক্ষাবিদ ড. নীলিমা ইব্রাহিমের জীবন ও কর্ম পাঠে জানা যায়, তিনিই বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে ‘জাতীয় শিশু দিবস’ হিসেবে পালনের প্রস্তাব করেন।  ১৯৯৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর শিশু সংগঠন ‘বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর  মেলা’র জাতীয় সম্মেলনে তিনি এই প্রস্তাব করেন। সেই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  সেসময়কার বিরোধী দলীয় নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে জাতীয় শিশু দিবস পালনের জন্য ড. নীলিমা ইব্রাহিমের প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানান। 
বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলা পরের বছর ১৯৯৪ সালের ১৭ মার্চ প্রথম বেসরকারি ভাবে জাতীয় শিশু দিবস পালন করে। প্রথম জাতীয় শিশু দিবস উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বাসস পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক আজ বাসসকে বলেন, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা গ্রহণের পর, তার নেতৃত্বাধীন সরকার  ১৭ মার্চকে সরকারিভাবে জাতীয় শিশু দিবস' হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ১৯৯৭ সাল থেকে সরকারিভাবে এ দিনটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

সুত্র বাসস





ভোলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৩ মেগাওয়াট, সরবরাহ ১৫; লোডশেডিং ৮ মেগাওয়াট

ভোলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৩ মেগাওয়াট, সরবরাহ ১৫; লোডশেডিং ৮ মেগাওয়াট

ঢাকার কারখানায় কদর বাড়ছে ভোলার গ্যাসের

ঢাকার কারখানায় কদর বাড়ছে ভোলার গ্যাসের

ভোলার প্রথম সাংবাদিক আবু তাহেরকে সংবর্ধনা

ভোলার প্রথম সাংবাদিক আবু তাহেরকে সংবর্ধনা

চরফ্যাশনে ভারতীয় অবৈধ ট্রলিং বোট ও ১১ জাল জব্দ

চরফ্যাশনে ভারতীয় অবৈধ ট্রলিং বোট ও ১১ জাল জব্দ

চরফ্যাশনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

চরফ্যাশনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে ইলিশায় মেসার্স এমএন ট্রেডিং এর উদ্বোধন

দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে ইলিশায় মেসার্স এমএন ট্রেডিং এর উদ্বোধন

ভোলায় ডেঙ্গু বিস্তার রোধে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু

ভোলায় ডেঙ্গু বিস্তার রোধে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু

মনপুরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিস্কার করলেন যুবদলের নেতাকর্মী

মনপুরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিস্কার করলেন যুবদলের নেতাকর্মী

ভোলায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের মাসিক সাহিত্য আড্ডা

ভোলায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের মাসিক সাহিত্য আড্ডা

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

আরও...