অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বিপনী বিতানগুলো


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫ই এপ্রিল ২০২৩ রাত ০৮:৩২

remove_red_eye

২৬১

লালমোহন প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে জমে উঠেছে ভোলার লালমোহনের ঈদের বাজার। ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে জামা-কাপড়ের দোকানগুলো। প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত চলছে এ ব্যস্ততা। তীব্র গরমকে উপেক্ষা করে ক্রেতাদের মধ্যে চলছে পছন্দের পোশাক কেনাকাটা। যেখানে পুরুষদের তুলনায় নারীদের উপস্থিতিই বেশি। ১৫ রমজানের পর থেকে জমতে শুরু করে ঈদের শপিং।
বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, নারী ও শিশুদের পোশাক বেশি বিক্রি হচ্ছে। ঈদ মার্কেটে এবছর বেশি চাহিদা সারারা-গারারা থ্রি পিস, নায়রা কাট ড্রেস, টু-পিস কামিজ-সেলোয়ার, গাউন ও বিভিন্ন ব্রান্ডের শাড়ি। এছাড়া পুরুষদের চাহিদা বেশি পাঞ্জাবিতে। কেবল পৌরসভার দোকানগুলোই নয়, ইতোমধ্যে জমে উঠেছে গ্রাম-গঞ্জের হাঁট-বাজারগুলোও।
লালমোহন পৌরসভার হাইস্কুল সুপার মার্কেটের রাফি ফ্যাশনের মালিক মো. ইকবাল হোসেন বলেন, এবছর ঈদ উপলক্ষে বেচা-কেনা অনেক ভালো। তবে পোশাকের দাম একটু বেশি। যা নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে অনেক দামাদামি করতে হয়। যে জন্য অল্প লাভেই পোশাক বিক্রি করছি।
ঈদ উপলক্ষে পোশাক কিনতে আসা নিতু, লাইজু ও জাহানারাসহ কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, পোশাকের দাম আগের তুলানায় অনেক বেশি। কোনো পোশাক  পছন্দ হলেই দোকানদাররা আকাশ ছোঁয়া দাম চাচ্ছেন। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই দোকানদারদের নির্ধারিত মূল্যে পছন্দের পোশাক কিনতে হচ্ছে।
উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ থেকে হাইস্কুল মার্কেটে ঈদ শপিং করতে আসা মো. সোহাগ হোসেন বলেন, নিজের পরিবার এবং আত্মীয়-স্বজনের জন্য শপিং করতে এসেছি। রোজার শেষের দিকে মার্কেটে অনেক ভিড় থাকবে, এজন্য একটু আগেভাগে এসেছি। বিভিন্ন দোকান ঘুরে যতটুকু মনে হয়েছে; বিগত বছরের চেয়ে এবছর পোশাকের দাম অনেক বেশি। তবুও ঈদ উপলক্ষে নিজের সাধ্যের মধ্যে যা পাওয়া যাচ্ছে তাই কিনছি।   
ঈদ উপলক্ষে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, আমরা পুলিশের পেট্রোলিং টিমের মাধ্যমে পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল অব্যাহত রেখেছি। এছাড়া কারও কোনো সমস্যা হলে থানায় যোগাযোগ করলে আমরা তা সমাধানের চেষ্টা করবো। অন্যদিকে, ঈদকে ঘিরে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আমরা নিয়মিত চেকপোষ্ট অভিযান পরিচালনা করছি।