অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতির শঙ্কায় তাড়াহুরোতে ধান কাটছেন কৃষকরা


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০ই মে ২০২৩ রাত ০৯:০৫

remove_red_eye

২৯১

লালমোহন প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড় মোখায় ক্ষতির শঙ্কায় তাড়াহুরো করে ধান কাটছেন ভোলার লালমোহনের কৃষকরা। বিগত বছরগুলোতে ঝড়ে কৃষকের ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় এবছর  কৃষি অফিসের পরামর্শে আগেভাগেই ক্ষেতের ধান কেটে ফেলছেন তারা। এ বছর উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও ঝড়ের পূর্বাভাসে কৃষকরা কিছুটা ক্ষতির শঙ্কা করছেন।
জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে লালমোহনে আট হাজার ৫ শত হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এ বছর উপজেলায় নয় হাজার ৯১৫ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। যেখানে উন্নত জাতের ব্রি ধান-৭৪ ও ব্রি ধান-১০০ সহ বিভিন্ন জাতের ধান রয়েছে।  
উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব চরউমেদ এলাকার ধান চাষি মো. শাকিল পাটোয়ারি বলেন, ৪৮ শতাংশ জমিতে এবছর ধান চাষ করেছেন তিনি। সামনে ঝড় আসতে পারে। একারণে একটু আগেই ধান কেটে ফেলতে হয়েছে তাকে। ক্ষেতে উৎপাদিত ধানে তার আয়-ব্যয় সমান। একই এলাকার আরেক চাষি মো. নোমান জানান, কৃষি অফিস থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে দ্রæত সময়ের মধ্যে ধান কাটার। যার জন্য ক্ষেতের ধান কেটে ফেলেছি। এখনও হিসেব করিনি। তবে ঘূর্ণিঝড়ে যে পরিমাণ ক্ষতি হতো, এখন ধান কাটায় তা সম্ভবত হবে না।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু হাসনাইন বলেন, ঝড়ে যেন কৃষকদের কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য আরো এক সপ্তাহ আগ থেকে ধান কাটার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলার ৭০ শতাংশ ধান কাটা হয়ে গেছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে একশত শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি। এছাড়া, একটু আগে হলেও ৮০ ভাগ পেকেছে এমন ধান কাটলে কৃষকদের কোনো ক্ষতি হবে না। তবে পুরোপুরি পাকার অপেক্ষায় থাকলে ধান ঝরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।