অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ১৩ই জুলাই ২০২৬ | ২৯শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলার ঢাল চরে ঝড়ো বাতাস বৃষ্টি


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ই মে ২০২৩ সন্ধ্যা ০৬:৪৬

remove_red_eye

৪৫৪

বংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক: ঘূর্ণিঝড় মোখা’র প্রভাবে উপকূলীয় দ্বীপজেলা ভোলায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। আজ রবিবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় থেমে থেমে দমকা বাতাস ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি হয়েছে।  বিশেষ করে ভোলার বিচ্ছিন্ন বঙ্গপোসাগর মোহনায় ঢাল চর এলাকায় নদী উত্তাল হয়ে উঠে। বেলা ১২ টার দিকে সেখানে ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি হহওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে কোথাও কোন আঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়াও বিচ্ছিন্ন চরগুলোতে কখনো হালকা মাঝারি আবার কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিসহ ঝড়ো বাতাস হয়েছে। চরফ্যাশনের চরনিজাম, মনপুরা, কুকরি-মুকরি, চরপাতিলায় শনিবার রাত থেকেই বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে । শনিবার রাতে কয়েক হাজার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নেয়া মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভোলা-১ আসনের সাংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ শনিবার রাতে ভোলার ইলিশা,ধনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করে মানুষের খোঁজ খবর নেন এবং আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন।  
ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার চর কুকরি মুকরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম  রবিবার সকালে জানান, তার ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন চর পাতিলার ৫ শত মানুষকে শনিবার রাতে কুকরির আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। তবে সকালে স্থানীয়রা বাড়িতে চলে গেছে। কিন্তু দুর্গম এলাকার ২ শত নারী পুরুষ এখনো নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছে। তাদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। সেখানে সকাল থেকে হালকা বৃষ্টি ও বাতাস হয়েছে। মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। সাগর মোহনার বাসিন্দা শরিফ জানান, রবিবার বেলা ১২ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত সেখানে ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি হয়েছে। মানুষের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে। তবে  কোন আঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। মনপুরাতেও                                   হালকা বৃষ্টি ও  বাতাস হয়েছে। এদিকে রবিবার বিকালে ভোলা সদরে মাঝে মাঝে আকাশে মেঘের পাশাপাশি রোদ ওঠে । পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।