অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ১৩ই জুলাই ২০২৬ | ২৯শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলা-বরিশাল সেতুর ভূমি অধিগ্রহণ ও পূর্ণবাসন প্রভাব নিরুপণের জন্য মতবিনিময়


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২শে জুন ২০২৩ রাত ১০:২৬

remove_red_eye

৩৯২

 

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক: ভোলা-বরিশাল সেতু বাস্তবায়নের জন্য এর সম্ভাবতা পুনায় পরীক্ষা নিরীক্ষা করার কাজ শুরু হয়েছে। ২০২০ সালে যে স্টাডি করা হয়েছিলো,সেই সময় শ্রীপুর চরের পরে যে নদী ছিলো,তা এখন চর পরে গেছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ায়  নতুন করে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাই আবার সম্ভতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।  ইতো মধ্যেই সেতু বিভাগ সরেজমিনে কার্যক্রম শুরু করেছে।  প্রস্তাবিত ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ ও পূর্ণবাসন প্রভাব নিরুপণের জন্য সরেজমিন পরিদর্শনের পাশপাশি স্থানীয়দের সথে মতবিনিময় করেছে সেতু কৃর্তপক্ষের  একটি প্রতিনিধি দল।
বৃহস্পতিবার (২২ জুন) দুুপুর ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাগণের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, তেঁতুলিয়া ও কালাবদর নদীর উপর প্রস্তাবিত  ভোলা- বরিশাল সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সেতু কর্তৃপক্ষেন একটি দল বৃহস্পতিবার দুপুরে সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করে। এ সময় সেতু বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে বিদেশী পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা  নদীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এর আগে ভেদুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সকরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের সাথে মত বিনিময় করেন। এসময় সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই, বর্তমান অবস্থা, ভূমি অধিগ্রহণ ও পূর্ণবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন।

টিমের নেতৃত্বেদানকারী সেতু বিভাগের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. অহিদুজ্জামান জানান, ২০২০ সালে প্রথম ফিজিবিলিটি ষ্টাডি হয়েছিল। সেই সম্ভাবতা আবার রিভিউ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেই নিদের্শনা অনুযায়ী আবার কাজ শুরু হয়েছে। ২০২০ সালে যে স্টাডি করা হয়েছিলো,সেই সময় শ্রীপুর চরের পরে যে নদী ছিলো,তা এখন চর পরে গেছে। যে কারনে এই চরকে হিসাব করে  সীমা রেখা নিচের দিকে সরিয়ে নেয়ার জন্য  প্রাথমিক ভাবে কনসালটেন চিন্তা করছে। সেটা আরো ২ মাসের মধ্যে চুড়ান্ত করা হবে।


সেতু বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়াসিম আলী জানান, আজকে আমাদের আসার মূল উদ্দেশ্যে ছিলো, জমি অধিগ্রহণ কেমন হতে পারে, তা সকলকে জানানোর জন্য। স্থানীয়দের পরামর্শ নিয়ে সমীক্ষা আরো কিভাবে সুন্দর করা যায়, সেই পরামর্শ গুলো নেয়া হবে। তিনি আশা করেন, সরকার কিংবা অন্য কোথাও থেকে অর্থায়ন করলে, কাজ শুরু করতে ডিপিপি অনুমোদন হতে  আরো এক দের বছর লাগবে। কারণ সম্ভব্যতা শেষ হতে আরো ৭ থেকে ৮ মাস সময় লাগবে।

ভোলা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুল ইসলামের সভাপেিত্ব  সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,  সড়ক বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক আনোয়ার হোসেন,  সমীক্ষার দায়িত্বে থাকা দোহা'র বিশেষজ্ঞ সেদেশ কোল, ভোলা সদর উপজেলার ভারপ্রপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুছ, ভেদুরিয়া  ইউপির চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল।