অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর ২০২৬ | ৮ই কার্তিক ১৪৩৩


ভোলার মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চলছে ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীবাহী ট্রলার


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৬ই জুলাই ২০২৩ সকাল ১১:৪৭

remove_red_eye

৫৩০

শফিক খান : ভোলার মেঘনা নদীর বিপদ চিহ্নিত স্থানে ছোটো ছোটো নৌযান নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এতে করে যে কোন সময় দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। এর জন্য নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের উদাসীনতাকে দোষছেন বিআইডব্লিউটিএ'র ভোলা ইনচার্জ। ঘাটে সর্বক্ষনই উপস্থিত থেকে কর্ত্তব্য পালন করছেন সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তবে বোঝার উপায় নেই তাদের উপস্থিত থাকা সদস্যরা অবৈধ ট্রলারে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যেতে সহায়তা করছেন নাকি নিষেধ করছেন। বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা জনিত প্রজ্ঞাপনে ১৫ই মার্চ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীর বিপদচিহ্নিত এলাকায় ছোট নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও তা শুধু কাগজে কলমে রয়েছে। বাস্তবতায় তার সম্পুর্ন উল্টোচিত্র দেখাযায় ইলিশা ঘাটে । ভোলা - লক্ষ্মীপুরে মজুচৌধুরীর হাট পর্যন্ত ছোট ছোট ট্রলারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মেঘনা নদী হয়ে লক্ষিপুর ও ভোলায় যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে বাড়ি আসা সাধারণ যাত্রী কর্মক্ষেত্রে ফিরে যেতে এ ঘাটে যাত্রী চাপ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে । আর এরইমধ্যে দুই পারের ঘাট ইজারাদারদের অদৃশ্য ইশারায় তৈরি করছে ট্রলার সিন্ডিকেট বানিজ্য। ঘাটে ইজারাদারের লোকজন সাধারণ যাত্রীদের বাধ্য করছে ছোট ছোট ট্রলারে চলাচল করতে। মঙ্গলবার (৪ঠা জুলাই ) ২টা থেকে থেকে শুরু করে চলাচল করতে দেখা গেছে ট্রলার আয়ান সহ বেশ কটি ছোট বড় ট্রলার। বিকাল পর্যন্ত ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে একাধিক ট্রলার যোগে মজুচৌধুরির হাট উদ্দেশে যাত্রী পারাপার হতে দেখা গেছে। এসময় ঘাটে নৌ পুলিশের সদস্য ও জেলা পুলিশের সদস্যদের ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তাদের উপস্থিতিতেই ট্রলার চালকদের যাত্রীদেরকে ওঠাতে দেখা গেছে। চোখে পরেনি পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা। বিআইডব্লিউটিএর সূত্রে জানা গেছে, ১৫ মার্চ থেকে ১৫ অক্টোবর উত্তাল থাকায় মেঘনা নদীকে 'ডেঞ্জার জোন' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ সময় এই নদীতে স্পিডবোট, ট্রলারসহ ছোট আকারের সকল যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীর হাট থেকে ট্রলারযোগে যাত্রী পারাপার করছে একটি প্রভাবশালী চক্র। তবে মজুচৌধুরির হাট এই চক্রের নিয়ন্ত্রণ করছেন জাবেদ ও ইলিশা ঘাট থেকে মনির ও মহসিন নামের কর্তাবাবু বলে জানাগেছে। তবে জাবেদ মুঠো ফোনে জানান ভাই আমি নিয়ন্ত্রণ করছিনা আমার মাত্র দুটি ট্রলার যাত্রী পারাপারে নিযুক্ত আছে। মহসীন জানান, গাজি নামের একটি ট্রলার তার নিয়ন্ত্রিত । অপরদিকে ইলিশা ঘাটে ট্রলার বানিজ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে ইজারাদারের ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে থাকা মহসীন ও মনিরের নাম রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জানান, "সবাইকে ম্যানেজ করেই প্রভাবশালী এ চক্র নির্বিঘ্নে অবৈধভাবে যাত্রী পারাপার করছে।"এসময় ট্রলারের একজন সাধারণ যাত্রীকে মজুচৌধুরির হাট ভাড়া কত তা জানতে চাইলে তিনি জানান, যাত্রীপ্রতি এখন ২০০ টাকা। এবং ঘাটে প্রবেশ ফি ১০ টাকা। অন্যদিকে একই ঘাট থেকে বিআইডব্লিউটিসির ৩টি সি-ট্রাক এবং ২টি জাহাজ চলছে, যেগুলোতে ভাড়া একই পরিমান ২০০ টাকা। একই ঘাটে ৫টি ফেরি যাতায়াত করছে তাতে যাত্রী ভাড়া ৮০ টাকা। উল্লেখ্য যে ইলিশা ঘাটে বিআইডব্লিউটিসির দুটি জাহাজ ইলিশা ঘাটে বাঁধা থাকলেও তাদের বৈকালী ট্রিপে চলাচলের আদেশ দিচ্ছে না যথাযথ কর্তৃপক্ষ, এমন উক্তি সাধারণ যাত্রীদের। অবৈধ নৌযান চলাচল বিষয়ে জানতে চাইলে ইলিশা নৌ-পুলিশের অফিসার ইনচার্জ আখতারুজ্জামান বলেন, "ঘাট এবং নদীর নিরাপত্তায় নৌ-পুলিশের সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। মূলত ছোট ছোট নৌযান চলাচলের বিষয়টি দেখার দায়িত্ব বিআইডব্লিউটিএর। তারা বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান পরিচালনা করলে আমরা তাদের সহযোগিতা করি। তিনি আরও বলেন, "আমরা ট্রলার চালকদের ডেকে সতর্ক করেছি। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তারা যাতে যাত্রী পারাপার না করে। তবে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে অবৈধ নৌযান চলাচল করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রশ্ন ছিলো আপনার সদস্যদের উপস্থিতিতে দেড় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ছোট (অ অনুমোদিত) নৌযান " আয়ান মজু চৌধুরী হাট উদ্দেশ্যে ইলিশা ঘাট ত্যাগ করে যেতে দেখা যায় কিন্তু তিনি নিষেধ করেন নি কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন মানবিক কারনে অনেক সময় ছোট ছোট নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা যায় না। ভোলা বিআইডব্লিউটিএর ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, ছোট ছোট নৌযানে যাত্রী পরিবহন বন্ধ করতে আমাদের একার পক্ষে কিছু করার নেই। কারন হিসেবে তিনি বলেন আমাদের এত লোকবল নেই, তবে ভোলা বিআইডব্লিউটিএ লোকবল সংকটে ভুগছেন কিনা এমন কথার উত্তর এড়িয়ে যান এই কর্মকর্তা। তিনি জানান মূলত আমরা সি সার্ভে অনুমোদিত লঞ্চ দেখভাল করছি। জেলা প্রশাসক মহদয় এ ক্ষেত্রে ইজারাদার সহ সকল প্রশাসনকে অবহিত করেছেন কিছুতেই রোধ করা সম্ভব হয়নি। তবে নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ড সদস্যদের তৎপরতা জোড়ালো থাকলে অবৈধ নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা সম্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। এবিষয়ে কোস্ট গার্ডের ইলিশা কন্টিনজেন্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিসি ( কোম্পানি কমান্ডার) সোলাইমান হোসেন বলেন, আমরা সর্বদা অবৈধ নৌযান চলাচল বন্ধ করতে সোচ্চার থাকা স্বত্তেও আমাদের টহল টিমের ফাঁকি দিয়ে এরা যাত্রী পারাপার করছে।





গণতন্ত্র নেই- আওয়ামী লীগ নতুন ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করেছে: তথ্য মন্ত্রী পার্থ

গণতন্ত্র নেই- আওয়ামী লীগ নতুন ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করেছে: তথ্য মন্ত্রী পার্থ

আগামী ১০ বছরেরও শেখ হাসিনা ফেরার সম্ভবনা নেই : ভোলায় স্পিকার

আগামী ১০ বছরেরও শেখ হাসিনা ফেরার সম্ভবনা নেই : ভোলায় স্পিকার

ভোলায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান

ভোলায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান

মনপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিদ্যুৎ অফিসে ব্যবসায়ীদের অবস্থান

মনপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিদ্যুৎ অফিসে ব্যবসায়ীদের অবস্থান

৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

আ.লীগ ও একটি ‘গুপ্ত’ দল যৌথভাবে চক্রান্ত করছে: রিজভী

আ.লীগ ও একটি ‘গুপ্ত’ দল যৌথভাবে চক্রান্ত করছে: রিজভী

এসএসসিতে ফেল করেও কলেজে ভর্তির সুযোগ চান শিক্ষার্থীরা

এসএসসিতে ফেল করেও কলেজে ভর্তির সুযোগ চান শিক্ষার্থীরা

ফ্রান্স বিক্ষোভ, ভারতের আন্দোলন ‘একসূত্রে গাঁথা’

ফ্রান্স বিক্ষোভ, ভারতের আন্দোলন ‘একসূত্রে গাঁথা’

বিশ্বজুড়ে সাইবার সতর্কতা, বন্ধ বহু সাইট

বিশ্বজুড়ে সাইবার সতর্কতা, বন্ধ বহু সাইট

সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন আমরা সংশোধনের চেষ্টা করছি : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন আমরা সংশোধনের চেষ্টা করছি : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

আরও...