অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ১২ই জুলাই ২০২৬ | ২৮শে আষাঢ় ১৪৩৩


রাঙ্গামাটির পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসছে জেলা প্রশাসন


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬ই আগস্ট ২০২৩ বিকাল ০৫:১৮

remove_red_eye

২৯০

গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে জেলায় পাহাড় ধসের আশঙ্কা থাকায়
পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের  নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসাসহ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে ।
এর মধ্যে শহরের বিভিন্ন  আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে  শুরু করেছে মানুষ। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও পাহাড়ে ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যেতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহবান জানানো হচ্ছে।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৯টার পর থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জেলা প্রশাসনের সাথে সেনাবাহিনী,পুলিশ,ফায়ার সার্ভিসসহ সম্মিলিত একটি টিম ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরত মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসে এবং সকলকে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার আহবান জানান।  
এ সময় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ আহমেদ,ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক দিদারুল আলম ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে(বাসস) জানান, গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে এখানে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় আমরা জেলা প্রশাসনের  পক্ষ থেকে জনসাধারনকে জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রস্তুতকৃত আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছি এবং যারা আসেনি তাদেরকেও দ্রুত চলে আসার আহবান জানাচ্ছি।
তিনি বাসসকে আরো জানান রাঙ্গামাটি শহরে বর্তমানে ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে  ৩ টি আশ্রয় কেন্দ্রে বর্তমানে ১৬২ জন আশ্রয় গ্রহণ করেছে। আশ্রয় কেন্দ্রে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার ও ভাতের  ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আরো প্রায় ১৬৩টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
শহরের ভেদভেদি স্থানীয় সমাজ কমিটির নেতা মোঃ ফজলুল করিম বাসসকে জানান, আমরা যেখানে বসবাস করছি সেখানে বেশকিছু  ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রয়েছে। রাঙ্গামাটিতে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরত মানুষকে পরিবার নিয়ে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যেতে বলছি। এর মধ্যে অনেকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে গেছেন। যারা এখানো যায়নি তাদেরকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে আমরা অনুরোধ করছি।
জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মোঃ দিদারুল আলম বাসসকে জানান, সম্ভাব্য পাহাড় ধসের কথা চিন্তা করে আমরা জেলা ফায়ার সার্ভিস সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। যে কোন দুর্যোগ হলেই উদ্ধার তৎপরতা চালানো সম্ভভ হবে বলে তিনি জানান।
এছাড়া দুর্ঘটনা এড়াতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে যে কোন ধরনের নৌ-যান চলাচলের উপর নিষেধজ্ঞা জারী করেছে জেলা প্রশাসন।
উল্লেখ্য ২০১৭ সালে ১৩ জুন রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় ৫ সেনাসদস্যসহ ১২০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ২০১৮ সালে নানিয়ারচরে  পাহাড় ধসে মারা যান ১১ জন।

সুত্র বাসস





চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের হামলা ভাংচুর

চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের হামলা ভাংচুর

মনপুরায় বানভাসি মানুষের  মাঝে তীব্র খাবারের সংকট

মনপুরায় বানভাসি মানুষের মাঝে তীব্র খাবারের সংকট

লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার ‌অভিযোগ

লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার ‌অভিযোগ

দৌলতখানে ভাঙা কালভার্ট সংস্কার করে দুর্ভোগ কমালেন বিএনপি নেতা মীর গিয়াসউদ্দিন

দৌলতখানে ভাঙা কালভার্ট সংস্কার করে দুর্ভোগ কমালেন বিএনপি নেতা মীর গিয়াসউদ্দিন

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা কেন দেননি, জানালেন স্পিকার

শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা কেন দেননি, জানালেন স্পিকার

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী আমিন

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী আমিন

ডা. জুবাইদাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল যাওয়ার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর

ডা. জুবাইদাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল যাওয়ার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর

আরও...