অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ১৩ই জুলাই ২০২৬ | ২৮শে আষাঢ় ১৪৩৩


দুই বছর পর নিজেকে 'জীবিত' প্রমাণ করলেন মহিউদ্দিন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৮ই আগস্ট ২০২৩ রাত ০৯:২৮

remove_red_eye

৩৩৭

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : দুই বছরেও নিজেকে 'জীবিত' প্রমাণ করতে পারেননি তিনি’ শিরোনামে বাংলার কন্ঠ সহ বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ঐ সংবাদে উল্লেখ করা হয়-ভোলার লালমোহনের রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী এলাকার মাতাউল্যাহ চৌধুরী বাড়ির মো. মহিউদ্দিন নামে প্রতিবন্ধী এক ব্যক্তি জীবিত থাকার পরও কাগজপত্রে তিনি মৃত। যে কারণে তার প্রতিবন্ধী ভাতাটি ২০২১ সালের জুলাই মাস থেকে বন্ধ হয়ে যায়।
ভাতা বন্ধের কারণ জানতে গিয়ে শুনেন তিনি মারা গেছেন। এরপর নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে বহুবার স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করেও কাজ হয়নি। পরে তিনি ঐ ভাতা পাওয়ার হাল ছেড়ে দেন। তবে তার এই বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর নড়চড়ে বসে সমাজসেবা কার্যালয়।
লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার আন্তরিকতায় মহিউদ্দিন নামে ঐ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এখন কাগজপত্রে জীবিত হতে সক্ষম হয়েছেন। এর ফলে তার নামে পুনরায় প্রতিবন্ধী ভাতা চালু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ প্রতিবন্ধী মহিউদ্দিনের হাতে নতুন ভাতার বই তুলে দেন। পুনরায় ভাতা চালু হওয়ায় খুশি মহিউদ্দিন।
তিনি বলেন, আমি জীবিত থাকার পরও কাগজপত্রে আমাকে মৃত দেখানো হয়েছে। এর কারণে আমার প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা বন্ধ হয়ে যায়। এই ভাতা চালু করতে নানাভাবে চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। তবে সাংবাদিক ভাইয়েরা আমাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর এখন আবার ভাতা চালু হয়েছে। এজন্য আমি সাংবাদিক ও সমাজসেবা অফিসারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ জানান, ‘দুই বছরেও নিজেকে 'জীবিত' করতে পারেননি তিনি’ এমন একটি সংবাদ আমার নজরে আসে। পরে ওই বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাই। এরপর সমাজসেবা অধিদফতরে যোগাযোগ করে মহিউদ্দিন নামে ঐ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ভাতাটি পুনরায় চালু করতে সক্ষম হই। এখন থেকে তিনি নিয়মিত ভাতার টাকা পাবেন।