অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ১২ই জুলাই ২০২৬ | ২৮শে আষাঢ় ১৪৩৩


রেহানার একটি চিঠি, যা কখনো পৌঁছায়নি বঙ্গবন্ধু ও রাসেলের হাতে


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ই সেপ্টেম্বর ২০২৩ সন্ধ্যা ০৭:৩৭

remove_red_eye

৪৭৭

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা তার বড় বোন শেখ হাসিনার সঙ্গে জার্মানি পৌঁছার পর ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট বাবা ও ছোট ভাই শেখ রাসেলকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকা- থেকে রেহাই পেয়ে যান, কারণ তারা তখন জার্মানিতে ছিলেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০২১ সালে তার জন্মদিন উপলক্ষে দলটির যাচাইকৃত ফেসবুক পেইজে সাক্ষাৎকারটি শেয়ার করেছিল, যেখানে তিনি তার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে হত্যার পর থেকে যে শোক ও দুঃখ লালন করছিলেন তা প্রকাশ করেছেন।
শেখ রেহানা ১৯৮৩ সালের ১২ আগস্ট সাপ্তাহিক চিত্র বাংলা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক ব্যতিক্রমী সাক্ষাৎকারে বেদনাদায়ক এ স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন।
চিঠিতে রেহানা তারা কীভাবে ভ্রমণ করছেন এবং কীভাবে সেখানে তাদের দিন কাটছে সেসব বর্ণনা করেছেন।
কিন্তু যাদের উদ্দেশে চিঠিটি লেখা হয়েছিল তাঁরা এ চিঠি কোনদিনও দেখতে পাননি। কারণ, চিঠিটি পৌঁছানোর আগেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তাঁর প্রায় পুরো পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।
শেখ রেহানার ১০ বছর বয়সী ভাই শেখ রাসেল সাধারণত ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া ও বিশ্রাম নিতে চাইতো না।
তাই রেহানা তার চিঠিতে ভাইকে তার স্বাস্থ্যের যতœ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন এবং জার্মানির প্রকৃতি কতটা মনোরম ও সুন্দর তা বর্ণনা করেছিলেন।
তিনি চিঠির সাথে কয়েকটি কার্ডও সংযুক্ত করেছিলেন। কিন্তু চিঠিটি কখনই তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছায়নি।
এমনকি হত্যাকারীদের রক্ষার জন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ নামে একটি কালো আইন জারি করায় দেশের রাজনৈতিক গতিপথকে সম্পূর্ণভাবে বদলে দেওয়া এবং রাষ্ট্রকে পাকিস্তানি আদর্শের দিকে ঠেলে দেওয়ায় নৃশংস হত্যাকা-ের বিচারও তারা চাইতে পারেনি।
ওই সাক্ষাতকারে রেহানা বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয় ১৫ আগস্ট ওরা আমার জীবন কেড়ে নিয়েছে। আমি আমার বাবা, মা, আমার ভাইদের হারিয়েছি। আমি কীসের জন্য বাঁচব? রাসেলের কী দোষ ছিল? সে তো রাজনীতিতে জড়িত ছিল না। আমার মাও ছিলেন না। কেন তারা তাদের মেরে ফেললো? আমি এতিম। আমি অসহায়। একজন কন্যা হিসেবে, একজন বাঙালি হিসেবে, আমি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার দাবি করছি।’
তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের জনগণের কাছে এই নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচার চাই।’
রেহানা আরো বলেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পেছনে ছিল সা¤্রাজ্যবাদী শক্তি। ফুলের নিচের সাপের মতো স্থানীয় দালালরাও জড়িত ছিল। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকা-ের বিচারের দাবিতে দেশের নেতাদের মধ্যে যে আওয়াজ তোলা উচিত ছিল, তা আশানুরূপ ভাবে হয়নি।’
যে খুনিরা গর্বিতভাবে তাদের কাজ শেষের ঘোষণা করেছিল তাদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছিল এবং জাতির পিতার নেতৃত্বে ইতিহাসের গৌরবজনক অধ্যায়ে নেমে এসেছিল সকরুণ নিস্তব্ধতা।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার জন্য দীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল।

সুত্র বাসস





চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের হামলা ভাংচুর

চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের হামলা ভাংচুর

মনপুরায় বানভাসি মানুষের  মাঝে তীব্র খাবারের সংকট

মনপুরায় বানভাসি মানুষের মাঝে তীব্র খাবারের সংকট

লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার ‌অভিযোগ

লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার ‌অভিযোগ

দৌলতখানে ভাঙা কালভার্ট সংস্কার করে দুর্ভোগ কমালেন বিএনপি নেতা মীর গিয়াসউদ্দিন

দৌলতখানে ভাঙা কালভার্ট সংস্কার করে দুর্ভোগ কমালেন বিএনপি নেতা মীর গিয়াসউদ্দিন

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা কেন দেননি, জানালেন স্পিকার

শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা কেন দেননি, জানালেন স্পিকার

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর : তথ্যমন্ত্রী

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী আমিন

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী আমিন

ডা. জুবাইদাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল যাওয়ার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর

ডা. জুবাইদাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল যাওয়ার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর

আরও...