বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮শে ডিসেম্বর ২০২৩ রাত ০৮:০৪
২৭৭
তিস্তা নদীর বাংলাদেশ অংশের উন্নয়ন প্রকল্পে চীনের কাজ নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আপত্তি তোলা হলে ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ‘বাংলাদেশে চীনের ভাবমূর্তি’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে কথা বলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ থেকে তিস্তা নদীবিষয়ক কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব আমরা পেয়েছি। আসন্ন ৭ জানুয়ারির নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। তিস্তা নদীর উন্নয়নে চীন কাজ করতে আগ্রহী। আশা করছি, ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর তিস্তা প্রকল্পের কাজ শুরু করতে পারবো।
তার এ বক্তব্য বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সেহেলী সাবরীন বলেন, আপনারা জানেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে তারা সহযোগিতা করে আসছে। তিস্তা নদীর বাংলাদেশ অংশের উন্নয়নমূলক প্রকল্পে সহযোগিতা করার ব্যাপারেও চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়টি আমাদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) যারা সাধারণত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে কাজ করে, তারা বিবেচনা করে দেখবে।
চীন বলছে, জাতীয় নির্বাচনের পর তিস্তা প্রকল্পের কাজ শুরু করতে চায় তারা। কিন্তু চীন তিস্তার যে অংশে প্রকল্পের কাজ শুরু করতে চায় সেখান থেকে ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর খুব দূরে নয়। শিলিগুড়ি করিডোরকে ভারত ‘চিকেন্স নেক’ নামেও অভিহিত করে। দেশটি মনে করে তিস্তা নদীর উন্নয়নকাজের নামে চীন চিকেন্স নেককে নিজেদের কব্জায় নিতে চায়। এ কারণে ভারত চিকেনস নেকের সামনে চীনের উপস্থিতি দেখতে চায় না।
এক্ষেত্রে তিস্তায় চীনের কাজ নিয়ে ভারত আপত্তি তুললে তা কতটুকু আমলে নেবে বাংলাদেশ, এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ মুখপাত্র বলেন, আসলে পুরো প্রশ্নটি অনুমাননির্ভর। এমন অনুমাননির্ভর প্রশ্নের জবাব দেওয়াও সহজ নয়। তবে এরকম কোনো প্রস্তাব বা আপত্তি ভারতের পক্ষ থেকে এলে, তখন ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বের বিষয়টি আমরা বিবেচনা করবো। সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।
প্রস্তাবিত তিস্তা উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ভাটি থেকে তিস্তা-যমুনার মিলনস্থল পর্যন্ত নদীর প্রস্থ কমিয়ে ৭০০ থেকে ১০০০ মিটারে সীমাবদ্ধ করা হবে। যেখানে নদীর গভীরতা বাড়নো হবে ১০ মিটার। এছাড়া নদীশাসনের মাধ্যমে তিস্তার সঠিক ব্যবস্থাপনা, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি, নদীর উভয় পাড়ে বাঁধ মেরামত ও প্রায় একশো কিলোমিটারের বেশি নতুন বাঁধ নির্মাণের বিষয়গুলো রয়েছে। এ প্রকল্পে অর্থায়ন করবে চীন।
‘তিস্তা রিভার কমপ্রিহেনসিভ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রেস্টোরেশন’ নামের এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে চুক্তি হলেও পরবর্তীকালে তা অগ্রগতির মুখ দেখেনি।
সুত্র জাগো
মনপুরায় সাড়ে ৩ কেজির দুই ইলিশ বিক্রি ১৫ হাজার টাকায়
ভোলায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগীয় সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
ভোলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রচার-প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ
পে-স্কেল অনুমোদন, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার
এইচএসসি পরীক্ষাও পেছানো হবে কি না, যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আগামীকাল
এদেশের মানুষ কখনো স্বৈরাচারকে সমর্থন করেনি: স্পিকার
চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান
স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার: ইসি সচিব
নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২৫ উন্নয়ন প্রকল্প
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত