বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৩ বিকাল ০৪:৩৯
২৪৬
২০২৩ সালে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ২০ জন। এরমধ্যে পুলিশের কথিত বন্দুকযুদ্ধে কক্সবাজারে সাজেদুল ইসলাম মান্না এবং নারায়ণগঞ্জে র্যাবের গুলিতে আবুল কাশেম নিহত হন। এছাড়া পুলিশের হেফাজতে ১৩, র্যাবের হেফাজতে দুজন ও ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের হেফাজতে তিনজন নাগরিকের মৃত্যু হয়। এসব তথ্য তুলে ধরে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
রোববার (৩১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে নেওয়া হয় এসব তথ্য। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন আসকের নির্বাহী পরিচালক ফারুক ফয়সাল।
আসক জানায়, এসব হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা যায়নি। এর আগে ২০২২ সালে ১৯ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন।
কারা হেফাজতে মৃত্যু
আসকের তথ্যানুযায়ী ২০২৩ সালে দেশের বিভিন্ন কারাগারে অসুস্থতাসহ নানা কারণে মারা গেছেন ১০৫ জন। এরমধ্যে কয়েদি ৪২ এবং হাজতি ৬৩ জন। এর আগে ২০২২ সালে কারা হেফাজতে মারা যান ৬৫ জন। এরমধ্যে কয়েদি ২৮ এবং হাজতি ৩৭ জন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ-গুম
আইন ও সালিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ, গুম ও নিখোঁজের শিকার হয়েছেন ৯ জন। এরমধ্যে পরবর্তী সময়ে ছয়জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরবর্তীতে ফিরে এসেছেন তিনজন, যা গণমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে।
আসক জানায়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে আটকের ঘটনা ঘটছে। পরিবার ও স্বজনদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার বা আটকের তথ্য না দিয়ে সরাসরি নাকচ করে দেওয়ার ঘটনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা যথেষ্ট উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে। এরপর বিভিন্ন অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরবর্তীতে গ্রেফতার দেখিয়েছে। আটক এবং গ্রেফতার দেখানোর সময়কালের মধ্যে যে ফারাক তার কোনো ব্যাখ্যা আমরা লক্ষ্য করছি না। এ ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইন ও উচ্চ আদালতের নির্দেশনার সুস্পষ্ট ব্যত্যয় লক্ষ্য করা গেছে।
সীমান্ত হত্যা ও নির্যাতন
আসকের তথ্য সংরক্ষণ ইউনিটের হিসাব মতে, ২০২৩ সালে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ কর্তৃক ৩০ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে লালমনিরহাটে ৩, সুনামগঞ্জে ১, ঝিনাইদহে ১, দিনাজপুরে ২, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩, চুয়াডাঙ্গায় ৫, পঞ্চগড়ে ৫, কুড়িগ্রামে ১, ঠাকুরগাঁয়ে ৪, সিলেটে ১, মৌলভীবাজারে ১ ও রাজশাহীতে ৩ জন নিহত হন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ কর্তৃক ৩১ জন নাগরিক মারাত্মক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০২২ সালে বিএসএফ কর্তৃক নিহত হন ২৩ জন বাংলাদেশি।
গণপিটুনি
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে আইন ও সালিশ কেন্দ্রে পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৩ সালে গণপিটুনির ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫১ জন। ২০২২ সালে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছিলেন ৩৬ জন।
সুত্র জাগো
শিশু রামিশা হত্যা ও ধর্ষণের বিচারের দাবিতে ভোলায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী
ধর্ষণের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব : মির্জা ফখরুল
রামিসা হত্যার ঘটনায় তদন্ত ও চার্জশিট হবে সংক্ষিপ্ত সময়ে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশ স্থিতিশীল, ব্যারাকে ফিরছেন সেনারা: সেনাপ্রধান
পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন ৭ দিনের মধ্যে দেয়ার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর
শিশু-কিশোর প্রতিভা বিকাশে উজ্জ্বল প্ল্যাটফর্ম ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’
গণমাধ্যম কমিশন গঠনে অফকমের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ
আমসহ কৃষিপণ্য রপ্তানির সব বাধা দূর করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
লালমোহনে দুদক এর উদ্যোগে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক