বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ই জানুয়ারী ২০২৪ রাত ১০:৪৪
৩১৪
অচিন্ত্য মজুমদার : উপক‚লীয় দ্বীপ জেলা ভোলার উপর দিয়ে গত কয়েক দিন থেকেই বয়ে যাচ্ছে হার কাপানো শীত। তীব্র শীতে স্থবীর হয়ে পড়েছে জনজীবন। গত তিন দিন ধরে এ জেলায় মৃদু শৈতপ্রবাহ বইছে। ভোলা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো: মনির জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ভোলা জেলায় সর্ব নিন্ম তাপমাত্র রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টায় কিছু সময়ের জন্য রোদ উঠলেও তা বেশী সময় থাকেনি। সর্বত্র বইছে কুয়াশাআচ্ছন্ন কনকনে ঠান্ডা বাতাস। বিশেষ করে চরাঞ্চল ও বেড়িবাধ এলাকার ছিন্নমূল পরিবারে সদস্যরা তীব্র শীতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শীতের আমেজে গ্রামগঞ্জে একদিকে যেমন ভাপা পিঠা আর চিতোই পিঠা বানানোর ধুম চলছে অন্যদিকে উপক‚লের চরাঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষগুলোর জীবনে এনেছে অভিশাপ। বিশেষ করে শ্রমজীবি মানষের বেড়েছে চরম দূর্দশা। শীতবস্ত্রের অভাবে তারা খড়-কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। তীব্র ঠান্ডায় অট্টালিকায় থাকা সুখী মানুষরা ল্যাপ-কম্বল জড়িয়ে শীতকে মানাতে না পারলেও অনেকটা খোলা আকাশের নিচে থাকা খেটে খাওয়া এসব মানুষ গুলোর আগুন আর ছেড়া কাথাই শীত নিবারনের এক মাত্র অবলম্বন।
সরেজমিনে ভোলার মদনপুর ও মাঝের চরের গুচ্ছগ্রাম এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এমনই চিত্র, শীত বাড়ার সাথে সাথে চলছে কাথাঁ সেলাইয়ের ধুম। ছেড়া কাপড় জোড়াতালি দিয়ে তৈরী হয় এসব কাথাঁ। কেউ কেউ আবার মোটা কাপড়রে অভাবে খড়-কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণরে চষ্টো করছে। হতদরিদ্র এসব মানুষগুলোর কাছে শীত মানে, প্রচন্ড ঠান্ডায় খড়-কুটো জ্বালিয়ে আগুনে হাত পোহানো আর পরবর্তী ভোরের অপেক্ষা। যেন কোনমতে শীতটা পার করতে পারলেই দায় সাড়া। ভোলার মূল ভ‚খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এসব চরাঞ্চল গুলোতে বেসরকারি হিসাবে প্রায় ৫ লাখ মানুষের বাস। তাদের প্রধান পেশা নদীতে মাছ ধরা, কৃষিকাজ ও দিনমজুর হিসাবে কাজ করা। এদের কাছে শীত গ্রীষ্ম সব ঋতুই সমান। যেখানে এই শীতে ঘর থেকেই বের হওয়া দায়, সেখানে এরা কাক ডাকা ভোরে পেটের তাগিদে বেড়িয়ে যায় জীবিকার সন্ধানে। দু’বেলা দু’মুঠো ভাত, সন্ধ্যা হলে আগুনের তাপ আর রাতে ভারী কাঁথা হলেই এরা সন্তুষ্ট।
সরেজমিনে কথা হয় ভোলার দৌলতখান উপজেলা থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন মদনপুর চরের ৪৫ বছর বয়সী আঞ্জুমান আরা বেগম ও সালমা বেগমের সাথে। তারা জানান, “আমরা ল্যাপ-তোষক কিননের টেহা কুনডে পামু, হারাদিন মাইনসের বাড়িত দাসী বান্দির কাম করি যেই কয়ডা টেহা পাই তা দিয়া সংসার চলে না।”
ভোলা থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলার মনপুরার সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের ৫০ বছর বয়সী সুনিতী রানি দাস ও মিঠু রানি দাস বলেন, শীতের সময় অনেকেই গরীগরে কম্বল দেয়। আমরাও পাই। তয় এহন শীত অনেক বেশি। আগুন জ্বালাইয়া তাপ না নিলে এই ঠান্ডা কমে না।
এদিকে ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান জানান, জেলার ৭টি উপজেলায় ইতিমধ্যেই শীতার্তদের মাঝে সরকারী সাহায্য হিসেবে ৪৩ হাজার ৫০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে, রাস্তা, ফুটপাতে যে সব দরিদ্র ছিন্নমূল রয়েছে আমরা তাদের কাছে এই কম্বল পৌছে দিয়েছি। সরকারের এই সহযোগীতা পেয়ে শীতে দরিদ্র মামুষ উপকৃত হয়েছে বলে জানান জেলার প্রধান এই কর্মকর্তা।
শিশু রামিশা হত্যা ও ধর্ষণের বিচারের দাবিতে ভোলায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী
ধর্ষণের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব : মির্জা ফখরুল
রামিসা হত্যার ঘটনায় তদন্ত ও চার্জশিট হবে সংক্ষিপ্ত সময়ে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশ স্থিতিশীল, ব্যারাকে ফিরছেন সেনারা: সেনাপ্রধান
পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন ৭ দিনের মধ্যে দেয়ার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর
শিশু-কিশোর প্রতিভা বিকাশে উজ্জ্বল প্ল্যাটফর্ম ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’
গণমাধ্যম কমিশন গঠনে অফকমের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ
আমসহ কৃষিপণ্য রপ্তানির সব বাধা দূর করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
লালমোহনে দুদক এর উদ্যোগে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক