লালমোহন প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৭শে মার্চ ২০২৪ বিকাল ০৫:২৩
৩৮১
লালমোহন প্রতিবেদন : কৃষকের মধ্যে প্রবাদ রয়েছে, কাকতাড়–য়া নড়েচড়ে পশুপাখি পালায় ডরে। এজন্য কৃষকের বন্ধুও বলা হয় কাকতাড়–য়াকে। ভোলার লালমোহন উপজেলায় কৃষকের ফসল রক্ষায় অতন্দ্রপ্রহরীর মতো ঠাঁয় দাঁড়িয়ে রয়েছে কাকতাড়–য়া। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এটি সনাতন পদ্ধতি। এই কাকতুড়া মূলত ক্ষেতের ফসল পাখি, ইঁদুর ও মানুষের কু-নজর থেকে রক্ষা করতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া পাখি ও ইঁদুর এই কাকতাড়–য়াকে মানুষ ভেবে ভয়ে ক্ষেতের কাছে যায় না। সেই ভাবনা থেকেই নিজের ক্ষেতের ফসল রক্ষায় এমন কৌশল ব্যবহার করেছেন লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চর ছকিনা এলাকার চাষি মো. বাবুল। তিনি তার গম ক্ষেতে দাঁড় করিয়েছেন কাকতাড়–য়া। কেবল কৃষক বাবুলই নয়, উপজেলার অনেক কৃষক তাদের নানা ধরনের ফসলের ক্ষেতে ব্যবহার করছেন কাকতাড়–য়া।
কৃষক বাবুল বলেন, এ বছর ৩২ শতাংশ জমিতে গম চাষ করেছি। এ ক্ষেতে সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করে ইঁদুর ও পাখি। এসবের থেকে ফসল রক্ষা করতেই ক্ষেতে মূলত এই কাকতাড়–য়া দাঁড় করিয়েছি। এতে করে ইঁদুর ও পাখির আক্রমণ থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা মেলে।
তিনি আরো বলেন, ৩২ শতাংশ জমিতে গম চাষ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৫ হাজার টাকার মতো। ক্ষেতে ফলন অনেক ভালো রয়েছে। আশা করছি এই জমিতে অন্তত ১৬ মণ গম হবে। যা বাজারে প্রতি মণ ১৮শত থেকে দুই হাজার টাকা ধরে বিক্রি করতে পারবো। আবহাওয়া ঠিক থাকলে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষেতের সব ফসল ঘরে তুলতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
জানা গেছে, আদিকাল কাল থেকে গ্রামাঞ্জলের কৃষকরা পাখি ও ইঁদুর এমনকি মানুষের কু-নজর থেকে রক্ষার কৌশল হিসেবে অদ্ভুত ও অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করে ক্ষেতের ফসল রক্ষার্থে মানুষের আকৃতি সদৃশ্য কাকতাড়–য়া ব্যবহার করছেন। যা দন্ডায়মান একটি খুঁটিতে দুই-তিন ফুট উপরে আড়াআড়ি আরেকটি খুঁটি বেঁধে তাতে খড় প্যাঁচিয়ে মোটাসোটা করেন। এরপর ওই অংশের ওপরে খড়কুটো দিয়ে মাথার মতো বস্তু বানানো হয়। যেখানে পুরনো ছেঁড়া জামা বা পাঞ্জাবি পরিয়ে দেওয়া হয়। যা দেখে ভয়ের সৃষ্টি হয়। এই কাকতাড়–য়াকে ফসলি জমির মাঝখানে দন্ডায়মান রাখেন কৃষকরা। দূর থেকে দেখলে মনে হয় ফসলি ক্ষেতের মধ্যে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। এই কাকতাড়–য়ার ফলে ক্ষেতে উপদ্রব কমে ইঁদুর ও পাখির।
চরছকিনা এলাকার জাহাঙ্গীর মাঝি, রতন মাঝি ও মো. জাফর নামে আরো কয়েকজন চাষি বলেন, কাকতাড়–য়া মূলত পাখি ও ইঁদুরকে ভয় দেখানোর জন্যে জমিতে দাঁড় করানো হয়। এতে করে পাখি এবং ইঁদুর বুঝতে পারে মানুষ দাঁড়িয়ে রয়েছে। যার ফলে পাখি ও ইঁদুরের আক্রমণ থেকে ফসল কিছুটা হলেও রক্ষা করা সম্ভব হয়। মূলত এই কাকতাড়–য়া ইঁদুর ও পাখিদের জন্য একটি ভয়ের ফাঁদ।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শংকর চন্দ্র দাস জানান, উপজেলার বিভিন্ন কৃষক তাদের ফসল রক্ষায় কাকতাড়–য়াকে ফাঁদ হিসেবে ব্যবস্থা করছেন। কৃষকদের ধারণা তাদের ক্ষেতে কাকতাড়–য়া দাঁড়ানো থাকলে ফসলের ক্ষতি হবে না। এমন বিশ্বাস থেকেই অনেক কৃষক তাদের ফসলি জমিতে কাকতাড়–য়া স্থাপন করেন। তবে এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী
লুট-অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলেই ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
মক্কা চুক্তির বিষয়ে সব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: আইনমন্ত্রী
মির্জা ফখরুলকে পুতিনসহ ৭ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের অভিনন্দন
গুমের দিন শেষ, বিগত ঘটনারও বিচার হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগেই ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশের মানুষ: প্রধানমন্ত্রী
অপরাধ দমনে ব্যর্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামীকাল আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস
জুলাই শহীদ ও গুমের শিকার পরিবারের আরও ৭৪ জন চাকরি পেলেন
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত