অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


গুলিবিদ্ধ ভোলার ইলিশা নৌ পুলিশের এএসআই মোক্তার এখনো শঙ্কামুক্ত নয়


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫শে জুন ২০২৪ বিকাল ০৫:৫৮

remove_red_eye

২৬৪

             রয়েছে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে

শফিক খাঁন : ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা সদর নৌ-থানার মধ্যে পিস্তল থেকে বের হওয়া গুলিতে আহত হওয়া পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. মোক্তার হোসেন মিঞা (৪৫) এখনও শঙ্কামুক্ত নন। তার পেটের সামনে দিয়ে ঢুকে, পেছন দিয়ে বের হয় গুলি। শেবাচিম হাসপাতালে টানা ৫ ঘণ্টা তার অস্ত্রোপচার হয়।
বরিশাল নৌ পুলিশের এডিশনাল এসপি মোঃ হুমায়ুন কবির সোমবার জানান, মোক্তার হোসেন মিঞা গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাৎক্ষণিক তাকে বরিশাল শেরে-বাংলা (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। রাত ৯টার দিকে গুলিবিদ্ধ স্থানে তার অস্ত্রোপচার শুরু হয়ে প্রায় ৫ ঘণ্টা অস্ত্রোপচার শেষে রাত দেড় টার   দিকে অপারেশন থিয়েটার থেকে বের করা হয়। সে এখনো শঙ্কা মুক্ত কিনা এটা চিকিৎসক বলতে পারবে, তবে আমরা দেখছি মোক্তার হোসেন এখন শিথিল রয়েছে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, মোক্তার হোসেন মিঞাসহ আরও দুই পুলিশ কনস্টেবলের ডিউটি পড়েছে চট্টগ্রামের কাপ্তাই লেকে। তারই ধারাবাহিকতায়  রবিবার বিকেলে তিনিসহ তার সঙ্গীয় ফোর্স কাপ্তাইয়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার সময় নিজেদের নামে ইস্যুকৃত অস্ত্র বুঝে নেয়। মোক্তার হোসেন মিঞার অস্ত্রটি ছিল  পিস্তল ৯ এম এম। টেবিল থেকে অস্ত্রটি নেওয়ার সময় ট্রিগারে হাত লেগে একটি মিস ফায়ার হয়ে যায়। গুলিটি তার পেটের ডান পাশ দিয়ে ঢুকে, কোমরের কাছাকাছি বাম পাশ হয়ে পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়। তবে অস্ত্রাগারের পিস্তলটির কার্তুজ লোড করা ছিলো কেন এমন বিষয়টি নিশ্চিত নয়, তবে অস্ত্রাগারের অস্ত্র লোড করে রাখার বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে জানা যেতে পারে।
উল্লেখ, রোববার বিকেল ৪টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা নৌ-থানার মধ্যে পিস্তল থেকে গুলিবিদ্ধ হন ওই থানায় কর্মরত পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোক্তার হোসেন মিঞা। তিনি দু’বছর ধরে ওই থানায় কর্মরত। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের মিরসরাই।