অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলায় নিরাপদ আশ্রয়ে আনা হয়েছে ৭০ হাজার মানুষ


অচিন্ত্য মজুমদার

প্রকাশিত: ২০শে মে ২০২০ রাত ১২:৪৬

remove_red_eye

৬৩৮

অচিন্ত্য মজুমদার:: ভোলার মূল ভু-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন দ্বীপচরের মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হয়েছে। ইতমধ্যে চরফ্যাশনের, মনপুরা তজুমুদ্দিন ও দৌলতখানের বিভিন্ন চর থেকে ৭০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় আনা হয়েছে।

জেলার ঝুঁকিপূর্ণ এসব বিচ্ছিন্ন চরের ৩ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ শুরু করছে জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ২১টি চর থেকে ৪৩ হাজার মানুষকে মূল ভু-খন্ডে সরিয়ে আনা হয়েছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছেন তাদের জন্য তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আফনানের জন্য ত্রান মন্ত্রনালয় থেকে ২০০ মেট্রিক টন চাল, ৭ লক্ষ নগত টাকা, ৩ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও শিশু খাদ্য বরাদ্দ হয়েছে।

এর আগে সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নৌ বাহিনী, নৌ পুলিশ, জেলা পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ শুরু হয়। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু, প্রতিবন্ধী এবং বয়স্কদের জন্য আলাদা স্বেচ্ছাসেবী কর্মী মাঠে কাজ করছে।

এদিকে নদী ও সাগরের থাকা মাছধরা ট্রলার ও নৌকা নিয়ে জেলেরা ফিরতে শুরু করেছে। সন্ধ্যার আগেই প্রায় দেড় লক্ষ জেলে নদী থেকে নিরাপদ আশ্রয় চলে এসেছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
অধিকাংশ ঘাটগুলোতে নোঙ্গর করা হয়েছে শত শত জেলে নৌকা।

জেলায় ৭ নাম্বার বিপদ সংকেত থাকায় সিপিপি ও রেডক্রিসেন্ট কর্মীরা ভোলার উপকূলের বাসিন্দদের নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে সোমবার রাত থেকেই মাইকিং করা শুরু করেছে। সিপিপি ও রেড ক্রিসেন্টের ১০ হাজার ভলান্টিয়ার মাঠে কাজ করছে।