অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলায় নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২রা ডিসেম্বর ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:২০

remove_red_eye

৩২৬

আট দফা দাবী উত্থাপন

মোঃ মহিউদ্দিন : ভোলায় আলু ও পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে  আজ সোমবার বেলা ১১ টা থেকে প্রায় ঘন্টাব্যাপী  কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ভোলার শাখার আয়োজন এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মানববন্ধনে  ক্যাবের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন ।
প্রায় ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধনে ভোলা জেলা ক্যাবের সভাপতি মোঃ সুলাইমান সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, ভোলা জেলা ক্যাবের নির্বাহী সদস্য কবি মোঃ মহিউদ্দিন , ক্যাব এর নির্বাহী সদস্য কবি নীহার মোশারফ, গাজী তাহের লিটন, দপ্তর সম্পাদক শাহনাজ বেগম চিনু, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ভাস্কর্ম মজুমদার, নির্বাহী সদস্য হিমাদ্রি শংকর দে নির্বাহী সদস্য ইয়াসমিন বেগম সহ বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রবৃন্দ। আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাব ভোলা জেলার সহ-সভাপতি  বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার মোঃ আবুল হোসেন, ক্যাবের জেলা ও উপজেলা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ক্যাব ভোলা জেলার সহ-সভাপতি  বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার মোঃ আবুল হোসেন, ক্যাবের জেলা ও উপজেলা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় বক্তারা বলেন, বর্তমানে ভোলায় আলু ও পেঁয়াজসহ কিছু নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি রয়েছে। দূর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের কারসাজি ও অতিরিক্ত মুনাফা লাভের কারণে আলু ও পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে মূল্যবৃদ্ধির ফলে এই দুইটি পণ্য ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতার  বাহিরে অনেকটাই চলে গেছে। এছাড়াও আইনে নিষিদ্ধ খোলা ভোজ্যে তৈল ড্রামে বিক্রি করা হচ্ছে। আমরা এসববের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এছাড়াও দ্রæত আলু ও পেঁয়াজসহ নিত্যপন্য ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার দাবী জানান।
এছাড়াও মানববন্ধনে আট দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো- অসাধু দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, বাজার অভিযান বৃদ্ধি করতে হবে, টিসিবির ট্রাকসেল বাড়াতে হবে, খোলা বাজারে ভোজ্যতেল বিক্রেতাদের কঠোর ভাবে আইনের আওতায় আনতে হবে, ভোক্তা স্বার্থ দেখার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আলাদা বিভাগ বা কনজুমারস মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে, সরকার এক কোটি পরিবারকে কার্ডের মাধ্যমে নিত্যপণ্য দিচ্ছে- এর সংখ্যা দেড় কোটি করতে হবে, আইনে নিষিদ্ধ থাকা বাজারে খোলাভোজ্য তেল (ড্রামে) বিক্রেতাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।