অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


কৃষি ও পুষ্টি উন্নয়নে ভোলায় লবণ সহিষ্ণু শাকসবজির চারা বিতরণ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৯ই ডিসেম্বর ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:১৭

remove_red_eye

৩১২

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে লবণ সহিষ্ণু সবজি চাষকে উৎসাহিত করতে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে লবণ সহিষ্ণু শাক সবজির চারা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আরএইচএল প্রকল্পের সহযোগিতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস) এই কর্মসূচি আয়োজন করে। ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর ভোলার সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের পরীর হাট এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে দুই ইউনিয়নের ৪০ জন উপকারভোগী অংশ নেন এবং তাদের মাঝে বিনামূল্যে লবণ সহিষ্ণু শাকসবজির চারা, বীজ এবং সবজি চাষের জন্য প্রয়োজনীয় বেড়া তৈরির নেট বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হাসান ওয়ারিসুল কবীর। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন জিজেইউএস-এর সহকারী পরিচালক ও প্রকল্প সমন্বয়কারী আনিসুর রহমান। এছাড়াও জিজেইউএস-এর কারিগরি কর্মকর্তা এস. এম. সাকিবুল ইসলাম ও সহকারী কারিগরি কর্মকর্তারা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

জিজেইউএস-এর সহকারী পরিচালক আনিসুর রহমান জানান, আরএইচএল প্রকল্পের আওতায় ২০টি ব্যাচে মোট ৪০০ জন উপকারভোগীকে লবণ সহিষ্ণু শাকসবজির চারা, বীজ এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হবে। বিতরণকৃত চারাগুলোর মধ্যে বেগুন, ফুলকপি, টমেটো, মূলা, লালশাক, কলমি শাক এবং ধনিয়ার বীজ ও চারা অন্তর্ভুক্ত আছে। এই কার‌্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং এটি উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের জন্য একটি টেকসই সমাধান হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।