অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে ক্রীড়া উৎসব ও শীত বস্ত্র বিতরণ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ই জানুয়ারী ২০২৫ সন্ধ্যা ০৭:২০

remove_red_eye

২১৭

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে দিন ব্যাপী ক্রীড়া উৎসব,শীত বস্ত্র ও পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
রবিবার ভোলা বাংলা স্কুল মাঠে এই ক্রীড়া উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভোলা জেলা প্রশাসক মো.আজাদ জাহান। 
তারুণ্যের উৎসব উদযাপন এর অংশ হিসাবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ক্রীড়া পধিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির আওতায় ভোলা জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে  বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে ক্রীড়া উৎসব প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় শিশুরা দৌড় প্রতিযোগিতা,চেয়ার সেটিং,জুড়িতে বল ফেলা সহ নানা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় শিশুরা। এমন আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন শিশু শিক্ষার্থীরা। এতে শিশুদের মিলন মেলায় পরিণত হয় ।
পরে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া সকল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরন করেন ভোলা জেলা প্রশাসক মো.আজাদ জাহান। পরে তিনি শিশুদের মাঝে শীত বস্ত্র হিসাবে কম্বল বিতরন করেন। 
এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম নবী আলমগীর, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও পৌরসভার প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান ,ভোলা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সজল চন্দ্র শীল,জেলা ক্রীড়া অফিসার সাইদুল ইসলাম,প্রবীন সাংবাদিক আবু তাহের প্রমুখ। 
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ভোলা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জহিরুল ইসলাম,ভোলা টাউন কমিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এরব স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মনিরুল ইসলাম। 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভোলা জেলা প্রশাসক মো.আজাদ জাহান বলেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ও অটিস্টিক শিশুরা সমাজের বোঝা নয়।  এরা আমাদের সমাজের অংশ। বিভিন্ন বিষয়ে তাদের প্রতিভা রয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের আদর, যত্ন ভালোবাসায় সমাজের মূলধারার সাথে নিয়ে আসতে হবে। ওদের মধ্য থেকে লুক্কায়িত প্রতিভা খুঁজে তার বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এই শিশুদের মূল ধারায় এনে তাদের বিকাশ ঘটাতে চাই। এই শিশুদের মানব সম্পদে রুপান্তর করতে চাই। আর শিশুদের মেধা বিকাশে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই  বলে  জানান জেলা প্রশাসক। 
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তা ও  প্রতিবন্ধী  বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।