অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২০শে মে ২০২৬ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


নৌ পথে মানুষের হয়রানি যাতে না হয় : ভোলায় নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯শে জানুয়ারী ২০২৫ সন্ধ্যা ০৬:৩১

remove_red_eye

৩০৪

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : নৌ- পরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, নৌ পথে মানুষের হয়রানি যাতে না হয়। অনেক স্থানে অভিযোগ আসে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হয়। ঘাট ইজারা টিকেট ১০ টাকা। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা নেয়া অবৈধ। এ ব্যাপারে সিভিল প্রশাসনকে চেক করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেন।
তিনি আরো বলেন, ঘাটে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ যদি আসে আর সে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সে ইজারাদারের ইজারা বাতিল করে দেয়া হবে।

 আজ রবিবার সকালে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নৌ ও পরিবহন মন্ত্রণালয় প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করে। বড় বড় প্রজেক্ট নয় ছোট ছোট প্রজেক্টেও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হতে পারে। ভোলার অত্যন্ত প্রতন্ত অঞ্চলে যেখানে হয়তো ভোলার অনেক মানুষই যায় নি। সেখানেও একটি ঘাট তৈরি করে দিয়েছি। যাতে ঐখানকার মানুষের উন্নতি হয়। একটি উপযুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা যদি থাকে তখন অনেক উন্নতি হয়। নৌ ও পরিবহন মন্ত্রণালয় কাজ ই করছে প্রান্তিক অঞ্চলে । আমাদের কোনো মেগা প্রজেক্ট নেই যে ঢাকা শহরে বা অন্য কোথাও বানাবো। এসময় তিনি আরো বলেন, যতই আমরা রেল করি, যতই সেতু বানাই আবহমান কাল থেকে নৌ পথের গুরুত্বটা রয়ে গেছে। এক সময় ছিলো আমরা নৌ পরিবহনের মধ্যেই ছিলাম এখনো তাই। কম খরচে পরিবহন তা নদী পথেই বলেও জানান তিনি।
এর আগে তিনি ইলিশা লঞ্চ ঘাটের সাধারণ মানুষের সুবিধা অসুবিধার কথা শোনেন এবং লঞ্চ ঘাটের সার্বিক চিত্র ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করেন। এসময় ভোলা জেলা প্রশাসক মোঃ আজাদ জাহান,নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সহ বিআইডব্লিউটিএ ও টিসির কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য,নৌ উপদেষ্টা গত দুই দিন ভোলার বিভিন্ন উপজেলায় লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেন ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।