অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর ২০২৬ | ৭ই কার্তিক ১৪৩৩


সশস্ত্র বাহিনী ফিরছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায়


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০শে এপ্রিল ২০২৫ সন্ধ্যা ০৭:৫৫

remove_red_eye

৩৬৫

১৫ বছর পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী যোগ করার সুপারিশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে ভোটে সেনা মোতায়েনের জন্য আর সরকারের মুখাপেক্ষি হতে হবে না।

 

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সংশোধন এনে সশস্ত্র বাহিনীকে যুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সম্প্রতি নির্বাচনী সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আশু বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশ পাঠাতে বললে ইসি এমন সুপারিশ করল। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, স্বাধীনতার পর থেকে ২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী ছিল না। পরবর্তী নির্বাচনের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে ২০০৯ সালে সংজ্ঞা থেকে সশস্ত্র বাহিনীকে বাদ দেওয়া হয়।

কর্মকর্তারা বলছেন, এরপর থেকে ফের এই বাহিনীকে ভোটের দায়িত্বে কাজে লাগাতে সরকারের কাছে চাইতে হয়। এরপর সরকার ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর অধীনে সেনা মোতায়েনের অনুমতি দেয়। ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর অধীনে মাঠে নেমে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় দায়িত্ব পালন করে সশস্ত্র বাহিনী। নতুন করে সংশোধনী আনা হলে ইসির নির্দেশনায় রিটার্নিং কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী নিয়োজিত করা যাবে।  

এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে সংশোধনীটি ফেরানোর দাবি তুললেও আগের তিনটি কমিশন কোনো উদ্যোগ নেয়নি। জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পর নির্বাচন সংস্কার কমিশন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করলে, বর্তমান এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন বিধানটি অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়। ফলে পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি, কোস্ট গার্ডের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীও যুক্ত হবে।

জানা গেছে, সরকারের কাছে আশু বাস্তবায়নযোগ্য নয়টি সুপারিশ করেছে ইসি। এর মধ্যে চারটি সুপারিশ ইসি নিজেই বাস্তবায়ন করবে। অন্যগুলো ইসি এবং আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ যৌথভাবে বাস্তবায়ন করবে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আরপিও সংশোধন, নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ আইন), নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যম নীতিমালা, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, হলফনামা, পোস্টাল ব্যালট, রাজনৈতিক ও নির্বাচনী অর্থায়নে স্বচ্ছতা ও শুদ্ধাচার–সংক্রান্ত বিধি-বিধান সংশোধনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

আগামী ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজনের কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। সে লক্ষ্যে সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আশু বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের ওপর সংশোধনী আনতে চায় সরকার। এদিকে নির্বাচন কমিশনও ডিসেম্বরকে লক্ষ্য ধরে সব প্রস্তুতি গুছিয়ে নিচ্ছে।





গণতন্ত্র নেই- আওয়ামী লীগ নতুন ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করেছে: তথ্য মন্ত্রী পার্থ

গণতন্ত্র নেই- আওয়ামী লীগ নতুন ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করেছে: তথ্য মন্ত্রী পার্থ

আগামী ১০ বছরেরও শেখ হাসিনা ফেরার সম্ভবনা নেই : ভোলায় স্পিকার

আগামী ১০ বছরেরও শেখ হাসিনা ফেরার সম্ভবনা নেই : ভোলায় স্পিকার

ভোলায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান

ভোলায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান

মনপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিদ্যুৎ অফিসে ব্যবসায়ীদের অবস্থান

মনপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিদ্যুৎ অফিসে ব্যবসায়ীদের অবস্থান

৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

আ.লীগ ও একটি ‘গুপ্ত’ দল যৌথভাবে চক্রান্ত করছে: রিজভী

আ.লীগ ও একটি ‘গুপ্ত’ দল যৌথভাবে চক্রান্ত করছে: রিজভী

এসএসসিতে ফেল করেও কলেজে ভর্তির সুযোগ চান শিক্ষার্থীরা

এসএসসিতে ফেল করেও কলেজে ভর্তির সুযোগ চান শিক্ষার্থীরা

ফ্রান্স বিক্ষোভ, ভারতের আন্দোলন ‘একসূত্রে গাঁথা’

ফ্রান্স বিক্ষোভ, ভারতের আন্দোলন ‘একসূত্রে গাঁথা’

বিশ্বজুড়ে সাইবার সতর্কতা, বন্ধ বহু সাইট

বিশ্বজুড়ে সাইবার সতর্কতা, বন্ধ বহু সাইট

সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন আমরা সংশোধনের চেষ্টা করছি : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন আমরা সংশোধনের চেষ্টা করছি : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

আরও...